রাঙামাটি প্রতিবেদক: রাঙামাটি বেতার কেন্দ্রে সামনে যুবদল নেতা চাঁদা না পেয়ে দোকানের নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়ায় অভিযোগ। । শুক্রবার আমির আলী(৬০)নামে এক কাঠ ব্যবসায়ী সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী আমীর আলী। শুক্রবার বেতার কেন্দ্রে সামনে বাড়ীর উঠানের সামনে প্রবেশ পথে সংবাদ সম্মেলনের পর নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার স্থানে সিমেন্ট,কাটা রড, নির্মাণ সামগ্রী এলোমেলো ভাবে পড়ে থাকতে দেখা যায়। লিখিত বক্তব্য যুবদলের সহ সাংগঠিক সম্পাদক মো:আবছার হোসেন এর বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি একাধিক ভুমি দখল বহু অভিযোগ করা হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার মো: আবছার। লিখিত বক্তব্য আমির আলী অভিযোগ করে বলেন,৭ নভেম্বর তিনি নিজেই দোকান ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করেন, কাজ শুরু পর মো:আবচার হোসেন ৬০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করেন, টাকা রা দেওয়ায় কাজ বন্দ করে দেন ।
এ ছাড়া ২ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা চাঁদা না দিলে ৪৫ শতক জায়গা দখলের হুমকি দেন। আমির আলী বলেন,২০০৬ সালে ১ একর ২৫ শতক ক্রয় করে নিজে কাচা ঘর নির্মাণ মো: আবছার পিতাকে ৬শ টাকা কাগজপত্র মুলে ভাড়া দিয়েছি,পরেনিজেই বাড়ী নির্মাণ করে বসবাস করছে তিনি। আমার সীমানায় চারটি প্লট ৩৩শতক খাস দেখিয়ে দখল বানিজ্য করে মো:আবছার । ঐসব প্লট নিজেই ক্রয় করার প্রমান সাংবাদিকদের দেখানো হয়। এই সময় ৬ নং ওয়াডের যুবদল নেতা আবছার হোসেনের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন লোক এসে কাজ বন্ধ করে দেন। সড়কের সড়কের আরেক পাশে ৪৫ শতক জায়গা রেজিষ্ট্রি করে দেওয়ার হুমকি দেন। জমি না দিলে ২ কোটি ২৫ কোটি লাখ টাকা চাঁদা দিতে হবে। পরে আমির আলীকে অন্যত্র নিয়ে গেলে তার ছেলে ৯৯৯ ফোন দিলে পুলিশ এসে উদ্ধার করে। এই থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন আমীর আলী। অভিযোগের বিষয়ে যুব দলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক দাবী মো: আবছার হোসেন রাঙ্গামাটি প্রতিদিনকে বলেন, আমি কোন চাঁদা করেনি। আমির আলী আওয়ামীলীগের প্রভাব খাটিয়ে ১৬ বছরে ২৮টি মামলা আমাদের তিনভাইকে হয়রানী করে। জমি দখলে বিষয়ে মো: আবছার হোসেন যুবদল নেতা আমীর আলীর সীমানার ভিতরে আমাদের ২৫ শতক জায়গা রয়েছে। চাঁদা না দেওয়ায় যুবদল নেতার কাজ বন্ধের বক্তব্য প্রতিবাদ ও চ্যালেঞ্জ করেন আমীর আলী।আমীর আলী বলেন, ২০০৬ সালে ১ একর ২৫ ক্রয় সুত্রে মালিক। তার সীমানার ভিতর একই নং দিয়ে বন্দোবস্তির আবেদন সহকারী ২০১৩ সালে খারিজ করে দেন ভুমি অফিস।
৩০ নভেম্বর প্রথম আলো ৭ম পৃষ্ঠায় সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশিত যুবদল নেতা মোঃআবছার আংশিক বক্তব্য চ্যালেঞ্জ দিয়ে আমীর আলী বলেন,সম্পুর্ন মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন। চাঁদা দাবী না করলে নির্মাণ কাজ বন্দ রেখে নির্মাণ সামগ্রী নষ্ট করার কারন কি? ১৬ বছরে ২৮ টি মামলা নয়, উচ্ছেদ মামলাসহ ৭টি আদালতে করে রায় পেয়েছি,মো: আবছার যুবদল প্রভাব খাটিয়ে চারটি প্লট খাস দেখিয়ে দখল করে বিক্রি করার প্রমানিত। আমীর আলী সেই চারটি প্লট আবার ক্রয় করার ডকুমেন্ট আছে,আমির আলীর চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেন,২৫ শতক জায়গায় বৈধ রেকর্ড দেখাইতে পারলে সম্পুর্ন জায়গা ছেড়ে দিয়ে আসবো,আমার রেকর্ড মধ্যে প্রশাসন কর্তৃক সীমানা নির্ধারণ করেছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।