রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

রাষ্ট্রীয় আশকারা ও কিছু রাজনীতিবিদের পৃষ্ঠপোষকতায় ভুয়া সাংবাদিকদের বিপজ্জনক উত্থান

  • প্রকাশিত: ৪ মে ২০২৫, ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ১২ মাস আগে

কার্টুনে কটাক্ষ, কথায় সাহস—তারেক রহমানের বার্তায় আশার নতুন রেখা বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে নিজের ফেসবুক পেজে একটি জোরালো বার্তা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান Tarique Rahman। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আর সত্যনিষ্ঠ রিপোর্টিংয়ের পক্ষে তার অবস্থান এসেছে এমন এক সময়ে—যখন বাংলাদেশের গণমাধ্যম চলছে গভীর অনিশ্চয়তার ভেতর দিয়ে। ৫ আগস্টের পর থেকে শুরু হয়েছে ভয়াবহ এক প্রবণতা— রাষ্ট্রীয় আশকারা ও কিছু রাজনীতিবিদের পৃষ্ঠপোষকতায় ভুয়া সাংবাদিকদের বিপজ্জনক উত্থান। এরা দখল করে নিচ্ছে পেশাদারদের জায়গা। আর প্রকৃত সাংবাদিকরা ভুগছেন ভুয়া মামলা, নিপীড়ন, এমনকি জীবনহানির ঝুঁকিতে। এই বাস্তবতায়, যখন অনেকে চুপ, তখন তারেক রহমান বলছেন— ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের সাফল্য বা ব্যর্থতা নির্ধারণ করে।’ এই বার্তার সঙ্গে যুক্ত করেছেন ২০০৯ সালের বিএনপির কাউন্সিল ঘিরে আঁকা মেহেদী হকের একটি কার্টুন— যেখানে ব্যঙ্গের শিকার খোদ Tarique Rahman ও খালেদা জিয়া। সাহসী সংকেত। ভিন্ন রাজনৈতিক ভঙ্গি। হ্যাঁ, বিএনপির শাসনামলেও গণমাধ্যম বারবার নিষ্পেষণের শিকার হয়েছে—তা অস্বীকারের সুযোগ নেই। কিন্তু আজকের অবস্থানে এসে তারেক রহমানের স্বর বদলেছে। এটা কেবল বক্তব্য নয়—একটি নতুন রাজনৈতিক প্রত্যয়ের ইঙ্গিত, যেখানে পেশাদার সাংবাদিকতার মর্যাদা ফেরানোর প্রত্যাশা আছে। সময় এসেছে সাহসী সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ানোর। দুঃখজনকভাবে, যাদের কাছ থেকে জ্বলতে পারতো আশার আলো—সেই অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা এখন প্রশ্নবিদ্ধ। উদাহরণ তৈরি করার সুযোগটা তারা যেন পায়ে পিষে মারছে। #JournalismIsNotACrim

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...