সন্ধ্যার ঠিক আগে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট হতে বাসায় ফেরার সময় রাইটার শেডে এক মহিলা কোলে ৫ মাসের একটা কন্যা শিশু সন্তান নিয়ে বুক চাপড়িয়ে কান্না করতে দেখে কাছে গিয়ে কারণ জিজ্ঞাসা করতেই মেয়েটি জানালো যে, ৪/৫ দিন আগে গ্রেফতার হওয়া তার স্বামীর জামিনের জন্য একজন আইনজীবীর স্মরনাপন্ন হতে আদালতে এসে সেই আইনজীবীর খোঁজ করার সময় এক যুবক নিজেকে উক্ত আইনজীবীর সহকারী পরিচয় দিয়ে প্রথমে নগদ ৫০০০/- টাকা নিয়ে মেয়েটাকে একটা জায়গায় বসিয়ে রেখে দুপুর পার হতেই তার স্বামীর জামিন হয়েছে বলে আরো ৫০০০/- টাকা নিয়ে ফেলে। এরপর মেয়েটিকে বসিয়ে রেখে তার স্বামীকে জেল হতে ছাড়িয়ে আনতে যাচ্ছে বলে চলে যায়। তখন হতে মেয়েটি না খেয়ে স্বামীর জন্য অপেক্ষা করছে। বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যা হতে চলেছে এখনও তার স্বামী বা সেই যুবকের দেখা না পেয়ে যুবকের দেয়া নাম্বারে ফোন দিলেও তা বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
আমি উকিলের নাম বা তার চেম্বার চিনে কিনা? জিজ্ঞাসা করতেই মেয়েটি নেতিবাচক উত্তর দিতেই বুঝতে পারলাম, মেয়েটি প্রতারকের পাল্লায় পড়েছে। আমিও যুবকের নাম্বার ট্রুকলারে ডায়াল করে দেখলাম। সম্পূর্ণ অপরিচিত নাম্বার।
প্রতিদিন অনেক অসহায়, স্বল্প শিক্ষিত, সহজ সরল লোকজন আদালতে আসে বা আসতে বাধ্য হয়। এসব মানুষ আইন কানুন সম্পর্কে অজ্ঞ এবং অসহায় অবস্থায় অনেকের মিথ্যে প্রতিশ্রুতি পেয়ে সরল বিশ্বাসে আর্থিক লেনদেন করে প্রতারণার শিকার হন। তাদের উদ্দেশ্যেই আজকের এই পরামর্শমূলক লেখা…..
বান্দরবান জেলায় বর্তমানে যেসকল আইনজীবী কর্মরত রয়েছেন তাঁদের তালিকা সকলের জ্ঞাতার্থে দেয়া হলো। এই তালিকায় সকল বিজ্ঞ আইনজীবীদের নাম, মোবাইল নাম্বার দেয়া আছে। আরেকটা জিনিস দেয়া আছে, তা হলো আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির তারিখ। এই তারিখের উপর নির্ভর করে কে, কত বেশি অভিজ্ঞ। অর্থাৎ যিনি যত আগে তালিকাভুক্ত হয়েছেন, তিনি তত বেশী এ পেশায় অভিজ্ঞ। অনেকে বুড়ো বয়সেও এই পেশায় আসেন। তাঁদের বয়স কিংবা পাকা চুল-দাড়ি দেখে অধিক অভিজ্ঞ আইনজীবী মনে করার কোন কারণ নাই। সংগ্রহ













