নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রাঙামাটির লংগদুতে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-র এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের মালিক মো. রাসেলের গ্রাহকদের কয়েক কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। আত্মসাৎকৃত অর্থের পরিমাণ প্রাথমিক ধারণার চেয়েও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
১. প্রতারণার অভিনব কৌশল:
তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্ত রাসেল ব্যাংকের মূল সার্ভার ব্যবহার না করে গ্রাহকদের হাতে লেখা বা ব্যাংকের ভুয়া সিল সংবলিত ‘ম্যানুয়াল’ রসিদ ধরিয়ে দিতেন। অনেক ক্ষেত্রে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের টাকাও কৌশলে আত্মসাৎ করা হয়েছে।
মাইনীমুখ বাজার ও আশপাশের এলাকার শত শত নিম্নবিত্ত মানুষ তাদের সারাজীবনের সঞ্চয় হারিয়ে এখন দিশেহারা। আজ সকালে অনেক গ্রাহককে তালাবদ্ধ আউটলেটের সামনে ভিড় করতে দেখা গেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, “ব্যাংকের নাম দেখে আমরা বিশ্বাস করেছি, এখন ব্যাংক দায় এড়াতে পারে না।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগীরা বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশকে মৌখিকভাবে অবহিত করেছেন। অভিযুক্ত রাসেল পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
লংগদু বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি কাসেম মেম্বার জানান, ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকেও রাসেলের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে। সাধারণ মানুষের টাকা উদ্ধারে তারা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করছেন।#