রাজধানীর সহ সারাদেশ কাচাবাজারে বেড়েছে সব ধরনের সবজির দাম। পাইকারি বা খুচরা কোথাও স্বস্তি নেই। বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ছে তো বাড়ছেই। বাজারে গিয়ে এই মূল্যস্ফীতির সঙ্গে টক্কর দিতে পারছে না স্বল্প আয়ের মানুষ। শুধু হিমশিমই খাচ্ছে না, রীতিমতো দীর্ঘশ্বাসও ফেলতে হচ্ছে তাদের।
কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি, জ্বালানি তেলের মূল্যের প্রভাবে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং মৌসুমী সবজির সরবরাহ কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে বাজারে। ফলে বেশির ভাগ সবজিই এখন বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে।
শুক্রবার (৮ মে) বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁকরোল, শসা ও বেগুনের দাম সবচেয়ে বেশি। এসব সবজির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়।
বাজারে প্রতি কেজি পটল বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। কাঁকরোল ও গোল বেগুনের কেজি ১২০ টাকা, লম্বা বেগুন ১০০ টাকা। দেশি শসা ১২০ টাকা এবং হাইব্রিড শসা ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া করলা ৮০ টাকা, ঝিঙা ও চিচিঙ্গা ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
অন্যান্য সবজির মধ্যে ধুন্দল ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা কেজি। লাউ বিক্রি হচ্ছে প্রতিটি ৭০ টাকায়, আর জালি ৬০ টাকায়। কাঁচা মরিচের কেজি ১৬০ টাকা, পেঁপে ৮০ টাকা এবং কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রাজধানীর মিরপুর কাঁচাবাজারে বাজার করতে আসা এক চাকুরিজীবী বলেন, আজকে বাজারে এসে দেখছি সব ধরনের সবজির দাম বাড়তি। এত বেশি দামে সাধারণ মানুষের সবজি কিনে খাওয়া অনেকটাই কঠিন। আজকে বাজারে ৮০ থেকে ১০০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। কিছুদিন আগেও পেঁপের দাম কম থাকলেও এখন এটা বাড়তি দামের সবজি। আজ প্রতি কেজি পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা করে। শসা, করলা, বেগুন, কাঁকরোল প্রতি কেজি ১২০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। এত দাম যদি হয় তাহলে আমরা সবজি কিনব কীভাবে?