নিজস্ব প্রতিবেদক: ১ নভেম্বর খুলছে রাঙামাটি পর্যটন শহর। রাঙামাটিতে প্রশাসনে নিরুৎসাহিত তুলে দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল ৩১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার পর্যটকদের নিরুৎসাহিত আদেশের মেয়াদ শেষ হবে। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান এ নিরুৎসাহিত আদেশ তুলে নেওয়ার কথা জানান।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মো. মোশারফ হোসেন খাঁন বলেন, আগামী পহেলা নভেম্বর থেকে রাঙামাটি ভ্রমণ করতে পারবে দূর-দূরান্তের পর্যটকরা। রাঙামাটি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হচ্ছে আগামী পহেলা নভেম্বর থেকে। অপর দুই পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানেও পর্যায়ক্রমে ভ্রমণ নিরুৎসাহিত আদেশ প্রত্যাহার করা হবে। পাহাড় এখন একেবারে শান্ত রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা চলামান থাকার কারণে টানা ২৩ দিন ঘটেনি কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা।
তিনি আরও বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে পর্যটক ভ্রমণ নিরুৎসাহিত আদেশ তুলে নেওয়া হয়েছে। খাগড়াছড়িতে নিষেধাজ্ঞা এখনো বলত থাকার কারণে সাজেক ভ্রমণ করা যাবে আগামী ৫ নভেম্বর থেকে। আর বান্দরবানে পর্যটক ভ্রমণ আরও এক সপ্তাহ পর নিরুৎসাহিত করণ আদেশ প্রত্যাহার করার কথা রয়েছে।
লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি মইন উদ্দীন সেলিম বলেন,পর্যটক ভ্রমণের জন্য উৎসাহিত করার জন্য সকল ধরনের আবাসিক হোটেল ১৫ দিনের জন্য ৩০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে। পর্যটক মৌসুমে কথা মাথায় রেখে ছাড় দেয়া হবে।
২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, ১ অক্টোবর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত নিরুৎসাহিত সময় বাড়ানো হয়। সর্বশেষ গত ৮ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর দীর্ঘ ২৪ দিন সাজেকসহ রাঙামাটি জেলায় পর্যটক ভ্রমণের জন্য নিরুৎসাহিত জারি করা হয়।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর এনডিসি মোঃ শামীম, আবাসিক হোটেল ও রেস্তোরা মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য- প্রেস ব্রিফিংয়ে গত ৮ অক্টোবর রাঙামাটি জেলা প্রশাসন এক নোটিশে রাঙামাটি জেলায় পর্যটকদের ভ্রমণে নিরুৎসাহিত জারি করে। এর আগে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি-বাঙালি সহিংস ঘটনা ও অগ্নিসংযোগ ভাংচুর ঘটনার পর অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে জরুরি আইনশৃঙ্খলা সভায় ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাঘাইছড়ি সাজেক ভ্যালিতে পর্যটক ভ্রমণে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।