
মঙ্গলবার বিকাল ৩ ঘটিকায় শহরে অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক। শিক্ষককে হত্যার পর গুজব ছড়িয়ে রাঙামাটি শহরে উত্তেজনা আতংক ছড়িয়ে পড়ে ! এতে শহরে সকল দোকান পাট বন্দ করে দেয়া হয়েছে।
এইদিকে সকালে অধ্যক্ষের রুমে ১০/১৫ জন উপজাতীয় ছাত্রের গণপিটুনিতে নিহত হন সোহেল রানা। তিনি খাগড়াছড়ি কারিগরি স্কুল ও কলেজের শিক্ষক। এর জেরেই দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে বলে স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পাহাড়ি এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ২০১৭ সালে কারাগারে যান সোহেল রানা। সম্প্রতি তিনি ছাড়া পেয়ে আবার কর্মস্থলে যোগ দেন।
মঙ্গলবার সকালে ফেসবুকে পোস্টে ছড়ানো হয় যে, টেকনিক্যাল এলাকায় বাঙালিরা এক পাহাড়ি নারীকে তুলে নিয়ে গেছে গুজব ছড়িয়ে আতংক হয়ে পড়ে পুরো শহরে।পরেেউপজাতীয়রা দলে দলে এসে স্কুলে ঢুকে অধ্যক্ষের রুমে অবরুদ্ধ করেসোহেল রানাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে স্থানীয় ও টেকনিক্যাল কলেজ অন্যরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
তবে কোনো পাহাড়ি মেয়েকে তুলে নেয়া হয়েছিলো কিনা, তা নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারেনি।আদালতে প্রমানিত হয়নি ,একজন উপজাতীয় ছাত্রী বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও গণমাধ্যমকে বলে আঞ্চলিক দলের ছাত্র সংগঠনের কথায় মামলা করেছে বলেছে জানাগেছে। সোহেলকে হত্যার পরই উত্তপ্ত হয়ে পড়ে খাগড়াছড়ি। পাহাড়ি-বাঙ্গালি দুই পক্ষের মধ্যে শুরু হয় সংঘর্ষ।
জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান বলেন, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সদরে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। সেখানে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।