শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

শুক্রবার মধ্যরাতে কাপ্তাই হ্রদে  মৎস্য আহরণ নিষেধজ্ঞা!

  • প্রকাশিত: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ২:২০ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১৯ ঘন্টা আগে

    নিজস্ব প্রতিনিধি:  শুক্রবার থেকে কাপ্তাই হ্রদে মাছের সুষ্ট প্রজনন,বংশবৃদ্ধি এবং মাছের পোনা অবমুক্ত করা স্বাভাবিক ভাবে বিস্তার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মৎস্য আহরণে সব ধরনের  নিষেধজ্ঞা করেছেন জেলা প্রশাসক নাজমা আসরাফি।   

  দক্ষিন এশিয়ার ৭২৫ বর্গ কিলো মিটার দৈর্ঘ্য বৃহক্তম কৃত্রিম কাপ্তাই হ্রদের পানি শুকিয়ে যাওয়ার ফলে প্রতিবছর ন্যায় এবারও এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ২৪ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত মাছ ধরা বন্ধ থাকলেও ২৫ এপ্রিল বিকাল ৪টা পর্যন্ত  বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন(বিএফডিসি)ঘাটে আহরিত মাছ অবতরণ করা যাবে। ২ মে হতে হ্রদে নতুন করে মাছের পোনা অবমুক্ত  প্রক্রিয়া সম্ভাবনা রয়েছে। নিষেধজ্ঞা চলাকালীন হ্রদে অবৈধ মাছ শিকার রোধে নৌপুলিশ ও বিএফডিসি সমন্বয়ে নিয়মিত টহল দেয়া হবে। গুরুত্বপুর্ণ  স্থানে অস্থায়ী চেকপোষ্ট পাশাপাশি হ্রদে টহল জোরদার করা হবে। নিষেধজ্ঞা অমান্যকারীদের কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রনালয়ে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে  মাছ শিকার নিষিদ্ধকালীন সময়ে ক্ষতি জেলে পরিবারগুলোকে মানবিক সহায়তা  বিশেষ কর্মসুচী বাস্তবায়ন করা হয়। এই মানবিক কর্মসুচী আওতায় ২৬ হাজার ৮৪৫টি পরিবারকে২০কেজি হারে দুই মাসের ৪০ কেচি চাউল মোট এক হাজার ৭৩ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়। খাদ্য সহাতার বিপরীতে প্রতিপরিবার পরিবহন বাবদে ৩৫০ টাকা হারে তিনলাখ ৭৫ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।     

ভায় জানানো হয়, কাপ্তাই হ্রদে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন, কার্প জাতীয় মাছের  বংশবৃদ্ধি ও অবমুক্ত করা মাছের পোনার স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য আগামী ২৪ এপ্রিল শুক্রবার থেকে ২৫ জুলাই ২০২৬ জুলাই পর্যন্ত তিন মাসের জন্য মাছ আহরণ ও বাজারজাতের ওপর নিষেধজ্ঞা আরোপ করা হয়। আইন অমান্যকারীদের কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে সভায় বলা হয়েছে। 

গত ২০ এপ্রিল সোমবার  বিকাল ৩ ঘটিকায়  জেলা প্রশাসকের কার্য্যলয়ে হ্রদ ব্যবস্থাপনা কমিটি    কর্তৃক আয়োজিত এক সভায় হ্রদে মাছ ধরা ও বাজারজাত  নিষেধজ্ঞা সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।#

 

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...