নিজস্ব প্রতিনিধি:
রোববার (১ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকেই জেলেদের আহরণকৃত মাছ বোটে করে নিয়ে আসা হচ্ছে জেলার সর্ববৃহৎ ফিশারি ঘাটে। এতে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকের হাঁকডাকে মুখর হয়ে উঠেছে ।
এদিকে এবার কাপ্তাই হ্রদে পানি বিপদ সীমার কাছাকাছি থাকায় নদীর গভীরতা কমে গেছে পলিমাটি জমে। অনেকদিন ধরে ড্রেজিং কথা শুনা গেলে কাপ্তাই হ্রদ সেই আগের মত রয়ে গেছে।
পাহাড়ে আঞ্চলিক দলের দুইকোটি টাকার চাঁদার দাবীর কারণে হ্রদের একটি অংশের জেলেরা মাছ আহরণে না নামায় প্রথমদিনে প্রত্যাশিত মাছ আহরণ হয়নি।
বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি) রাঙামাটি বিপণন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক কমান্ডার আশরাফুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, জেলেদের মাঝে আশঙ্কা থাকায় প্রথম দিনে মাছের অবতরণ কম। তবে হ্রদে পর্যাপ্ত পানি থাকায় বছরব্যাপী মাছ পাওয়ার আশা করছি।
প্রসঙ্গত: জাতীয় মাছের বংশবিস্তারের লক্ষ্যে প্রতিবছর তিন মাসের জন্য ১ মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত হ্রদে মাছ শিকার বন্ধ থাকে। তবে এ বছর কাপ্তাই হ্রদে পর্যাপ্ত পানির অভাবে মাছের বংশবিস্তার না হওয়ায় নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ দু’দফা বাড়ানো হয়। এতে চার মাস ৭দিন পর হ্রদে মাছ আহরণেজন্য কাপ্তাই হ্রদ খুলে দেয়া হয়।#