প্রধান বন সংরক্ষক নিয়ে কিছু কথা প্রধান বন সংরক্ষক বন অধিদপ্তরের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদ। একটি অধিদপ্তরের ব্যক্তি এবং পদের সমন্বয়ের সমতা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন থেকে প্রদত্ত। রাজত্বের মালিক! তুমি যাকে ইচ্ছা রাজ্য দান করো এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছা রাজ্য ছিনিয়ে নাও, আর যাকে ইচ্ছা সম্মানিত করো, আবার যাকে ইচ্ছা অপমানিত করো। সমস্ত কল্যাণ তোমারই হাতে। নিশ্চয়ই তুমি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান” সুরা আল ইমরান আয়াত ২৬। বর্তমান সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্ধু বান্ধবের তালিকা এবং তালিকার বাহিরে থাকা দু – একজন মুখোশধারী ভদ্রলোক যা খুশী বন বিভাগ নিয়ে তাই-ই লেখালেখি করতে দেখা যাচ্ছে। কেবলমাত্র তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্যে। বন বিভাগে প্রধান বন সংরক্ষক পদটি সিনিয়রটি এবং বিধিবিধানের সর্বোচ্চ স্বচ্ছতার নিয়ম মেনেই বন অধিদপ্তরে বিগত দিনগুলোতে পদায়ন হয়ে আসছে। বর্তমান প্রধান বন সংরক্ষক মহোদয়ের চাকরি ২০০৩ য়ে সালটা ভাবাদর্শের ভাবনার মাঝে রাখা দরকার। খামাখা কোন দলের টেগ দেওয়া মানে অন্দকারে আয়না দেখে বায়না করার মতোন। কু-চক্রি মহল চক্রের আলোকে কাকের মতোন চোখ বন্ধ করে সাবান রাখা থেকে বিরত থাকুন। সাময়িক বিভ্রান্ত করতে পারেন কিন্তু সত্যের চিন্তায়- চিন্তিত করে মিথ্যাচার দূর হবেই পৃথিবীর ইতিহাস তাই বলে। আমরা কবে মানুষ হব জানিনা। ব্যক্তিগত দন্ধে বন বিভাগকে কলঙ্কিত করবেননা। নিজ স্বার্থের চেয়ে বৃহত্তর স্বার্থে কথা বলার চেষ্টা করুন। অসভ্য কাজ থেকে বিরত থাকুন। ইতিপূর্বে ক্ষমতার ভাগে কিংবা ব্যক্তিগত দ্বিধা দন্ধ এবং বিভক্তি হয়ে এই পদে কেও অধিষ্ঠিত হননি। সিনিয়র দেখে কর্মের সর্বোচ্চ মেধা শ্রম এবং হাতে কলমে মাঠ পর্যায়ে কাজ করে ধাপে ধাপে এই পদে এসেছেন। প্রধান বন সংরক্ষক পদটিতে ধারাক্রম পদায়নের ধারাবাহিকতা বজায়ে রেখে বর্তমান প্রধান বন সংরক্ষক বন বিভাগের প্রশাসন চালাচ্ছেন। প্রজাতন্ত্রের একজন সরকারি কর্মচারী কখনো ব্যক্তিগত পছন্দ,অপছন্দ দিয়ে প্রশাসন বিবেচনা করেননা। স্বাভাবিক কাজের ধারায় কাজ করে থাকেন। প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত প্রত্যেক ব্যক্তির দায়িত্ব হলো সর্বদা জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা এবং সরকারি নির্দেশাবলী অধিদপ্তরের প্রধান যথাযথভাবে সবাইকে অবগত করে সমষ্টিগত কাজ করা । এতে অনেক সময় অনেক কাজ করতে হয় এটা চাকরির বিধিবিধান বহির্ভূত নয়। প্রধান বন সংরক্ষক বন বিভাগের বিভিন্ন সমস্যা জটিলতা নিরসনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিয়োগ ব্যবস্থাপনার জন্যে আমরা নিজেরাই দায়ী। মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন মামলা মোকদ্দমার জন্যে অনেক কিছুই করতে পারেননি। যদি আমরা অতীতের প্রধানগণের কথা বলি কি করেছে মাঠ কর্মীদের জন্যে? কিছুই করেননি বরং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে খলিফাদের রাজত্ব কায়েম করে কলমের জোরে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্মচারিদের। বর্তমান বন প্রশাসন মাঠ পর্যায়ে থেকে শুরু করে অফিস সহায়ক পযর্ন্ত পদোন্নতি প্রদান করেছেন। সময়পুযোগী অনেকগুলো বিধিমালার পরিবর্তন করেছেন। গ্রেডের জন্যে এবং ঝুকিভাতার জন্যে কাজ করে যাচ্ছেন। ফরেস্ট গার্ডদেরও খুব দ্রুত পদোন্নতি হবে আমরা সকলে আশাবাদী। প্রধান বন সংরক্ষক মহোদয় টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া রুপসা থেকে পাথুরিয়া পর্যন্ত সময় ব্যায় করেন বন বিভাগের সার্বিক উন্নয়নের জন্যে । কিভাবে বন বিভাগের আধুনিকীকরনের প্রক্রিয়া করা যায় তারই লক্ষ্যে সার্বক্ষণিক এই নিয়ে কাজ করেন। বর্তমান নির্বাচিত সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আঙ্গিকে মাঠ পর্যায়ে সর্বোচ্চ জ্ঞান এবং বিজ্ঞানের আলোকে কাজের নির্দেশনা প্রদান করেছেন। যা মাঠ পর্যায়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে পালন করা হচ্ছে। মনে রাখবেন হিংসা নেক আমল ধ্বংস করে। অপরের কল্যাণ দেখে অন্তরে জ্বালা অনুভব করা এবং তার ক্ষতি করার জন্য চেষ্টা করা যেকোন ধর্মের দৃষ্টিতে এটি গুনাহের কাজ ও নিন্দনীয় বিষয়। এই মহা বিশ্বের স্রষ্টার কিতাবে আল্লাহ্ নিজে ঘোষণা দেন “নাকি আল্লাহ দয়া করে মানুষদেরকে যা দান করেছেন সে বিষয়ে এরা কি তাদেরকে হিংসা করে” (সূরা নিসা: ৫৪) রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা পরস্পর হিংসা করো না। একে অপরের জন্য নিলাম ডেকে দাম বাড়াবে না। পরস্পর বিদ্বেষ পোষণ করো না। সুতরাং হিংসা নয়; অনুসরণ করুন। কারো ক্ষতি নয় বরং কল্যাণ অর্জনে প্রতিযোগিতা করুন। মিথ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি, মিথ্যে গল্প কিচ্চা কাহিনী বদনাম রটানো শোনা এবং দেখা থেকে আল্লাহ্ সবাইকে হেফাজত করুক। ধন্যবাদান্তে আমিরুল হাছান কবি, গীতিকার ও প্রাবন্ধিক আহ্বায়ক, বাংলাদেশ ফরেস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ) কেন্দ্রীয় কমিটি#Sent 2d ago
Write to Fariha Rashid