বিশেষ প্রতিবেদক: বনবিভাগের অদৃশ্য প্রকল্পের নয়-ছয় ! সুফল প্রকল্পের টাকা কতভাবে যে ছলচাতুরী করে খাওয়া হচ্ছে তার কোন হিসাব নেই। ট্রেনিং এর নামে চলছে হরেক রকম তেলেসমাতি। বেসিক লগিং ট্রেনিং কেউ কেউ ৩ বার যাচ্ছে আবার কেউ একবারও পাচ্ছে না।
আর্মস ট্রেনিংয়ে ২০/৩/২০২৫ তারিখ চিঠিতে ১০০ জন প্রশিক্ষণ শেষ করেছে। পরবর্তীতে আবার ৯/৪/২০২৫ তারিখ চিঠিতে ২০০ জনের তালিকা করেছে সেই তালিকায় প্রায় ৫০ জনের অধিক ট্রেনিং সমাপ্ত করেছে । পুনরায় তাদের নাম আবার দেওয়া হয়েছে। কিসের স্বার্থে, কার স্বার্থে এক ব্যক্তি বারবার ট্রেনিংয়ে যাচ্ছে। অন্যরা একবারও পাচ্ছে না। ট্রেনিংয়ে গেলে বিশেষ ভাতা পাওয়া যায়, থাকা খাওয়া ফ্রি পকেট ও ভারী করলো বিনা পয়সায় ঘুরে ফিরে আসলো। এই সুযোগ কি কেউ হাতছাড়া করতে চায়। বিভাগীয় দপ্তরে সংস্থাপনের দায়িত্বে যে অফিস সহকারী থাকে তাকে খুশি করতে পারলেই এক এক জন একের অধিক ট্রেনিং এর জন্য নির্বাচিত হচ্ছে।
খোজ নিয়ে জানা গেছে, বাকিরা জঙ্গলে মশা তাড়াচ্ছে, জবরদখলকারী ও দুষ্কৃতিকারীদের হাতে মার খাচ্ছে। সংস্থাপনের দায়িত্বে থাকা অফিস সহকারী তার % পকেটে ভরে চিঠি একটা কম্পিউটারের টাইপ করে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সামনে পেশ করলে চোখ বন্ধ করে সই করে দেয়। চিঠিতে কি ছিল দেখারও সময় নেই। এসব অনিয়ম যেন নিয়মে পরিণত করেছে। বিভাগীয় দপ্তরে সংস্থাপনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দায়িত্ব জ্ঞানহীন, অর্থলোভী, দুর্নীতিবাজ অফিস সহকারীদের পোস্টিং দিয়ে মূলত: বিভাগীয় বন কর্মকর্তাই বিতর্কিত ও সমালোচিত হচ্ছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ভেবে দেখবেন কি ?#