শ্রদ্ধায় অবিরাম অভিনন্দন– প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস । বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান, সারাবিশ্বের বিশ্ব নেতাদের নেতা, শান্তিতে নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস , যিনি প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে জাতিসংঘের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। নোবেলও পেয়েছেন প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে।সততা ও দক্ষতা দেশকে বাংলাদেশকে অনেকদুর এগিয়ে নিয়ে যাবেন আমার দৃঢ় বিশ্বাস। আরো একজন বিশ্ব নন্দিত অশোক চৌধুরীকে দেশের জন্য কাজ করতে একাধিক দেশের বানিজ্যক উদ্যোক্তা নিয়ে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।এই ভাবে বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত করে মালয়েশিয়া সিঙ্গাপুর মত উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। আমরা চট্টগ্রামবাসী সত্যি গর্বিত ও আশান্বিত।
আপনার কাছে প্রত্যাশা করতে পারি- বিদেশে পাচারকৃত অর্থ দেশে ফেরৎ, দুর্নীতি লুটপাট কারীদের সম্পদ বায়জাপ্ত করে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য দুদকের ঢেলে সাজাইতে হবে,আইন পরিবর্তন করে মামলার ক্ষমতা দিতে হবে। ফাসিস্ট সরকার দুদকের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রন করায় দুর্নীতির শীর্ষে ছিল। পার্বত্যঞ্চলে বিশাল সম্পদ নিয়ে দেশী বিদেশী ষড়ষড় অব্যাহত রেখেছে। এনজিও মার্কা ও ফাসিস্ট সরকারের দলীয় জনপ্রতিনিধি ক্ষমতার অপব্যবহার করে দীর্ঘ দুই যুগ ধরে দৃশ্যমান। দলীয় কোঠায় বিভিন্ন দপ্তরে নিয়োগ পোষ্টিং বানিজ্য বাতিল করে মেধা ও স্বচ্ছ ভাবে নিয়োগ দেয়া হোক। পরিশেষে পার্বত্য উপদেষ্টা একজন অব:সেনাবাহিনীর উচ্চ পদস্থ কর্ম
কর্তা নিয়োগ করা অনেকাংশে স্বজনপ্রীতি দলীয়করণ কমে আসবে। সরেজমিনে পথে ঘাটে টার্মিনালে শ্রমিক সাধারণ জনগনের সাথে কথা বলে দেখা যায়,সর্বস্তরের খেটে খাওয়া মানুষ ড.মুহাম্মদ ইউনুস স্যার ৫ বছর ক্ষমতায় দেখতে চাই।
আপনার শ্রম ও মেধা দিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবেন এই কামনা করি। চট্টগ্রামের অহংকার মাটি ও মানুষ সন্তান হিসেবে সারাবিশ্বে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আপনার এ অর্জনে গর্বিত। দেশের মানুষ সময়ের এ সাহসী সন্তানকে সঠিক সময়ে সঠিক মূল্যায়ন করবেন এ প্রত্যাশায় আপনার সু-সাস্হ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।