বিশেষ প্রতিবেদক:- বন বিভাগে কিছু সংখ্যক প্রকল্পবাজ কর্মকর্তা নিজেদের আখের গোছাতে প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা বনাঞ্চল ধ্বংস করে হাতি সহ বিভিন্ন প্রজাতির বন্য প্রানীর খাদ্য সংকট সৃষ্টি করেছে। কিছুদিন আগে রাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে একটি গর্ভবতী হাতি খাদ্যের সন্ধানে গ্রামে ঢুকে পড়লে গ্রামের লোকজন দলবদ্ধভাবে তারাতে গিয়ে এই গর্ভবতী হাতিটি অসুস্থ হয়ে মাটিতে পড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। প্রকল্পবাজ কর্মকর্তারা হাতির আবাসস্থল, হাতির খাদ্যের প্রধান উৎস প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা বনাঞ্চল প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে অনেক আগেই ধ্বংস করে দিয়েছে। এখন শুধু দাঁড়িয়ে আছে ন্যাড়া পাহাড়। হাতি ও বন্যপ্রাণী বাঁচাতে হলে আগে প্রাকৃতিক বনাঞ্চল রক্ষা করতে হবে। হাতি বিশেষজ্ঞ প্রকল্পবাজ অবসরপ্রাপ্ত সিএফ তপন কুমার দে স্যার এখন কোথায় ? এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে প্রকল্প গ্রহণ করে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের উপর দিয়ে রেলপথ তৈরি করে সেই রেলপথের উপর দিয়ে হাতি চলাচলের পথ সৃষ্টি করে কি হাতি রক্ষা করা সম্ভব ?
ইতিমধ্যেই ট্রেন দুর্ঘটনায় বেশ কিছু হাতির মৃত্যু হয়েছে যাহা প্রকল্পবাজ কর্মকর্তা তপন কুমার দে স্যার প্রত্যক্ষভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুর্ঘটনার শিকার হাতি গুলো দেখেছেন। যদি প্রকল্প বাজদের জবাবদিহিতা দায়বদ্ধতা থাকতো তাহলে এর দায় দায়িত্ব এড়াতে পারতেন না । প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ধ্বংস করে হাতি সহ বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণীর খাদ্য সংকট করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা কি আসলেই জীববৈচিত্র্যের অনুকূলে ছিল ? বন সৃজনের জন্য কোন অর্থের প্রয়োজন হয় না, কোন প্রকল্প ও গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই শুধুমাত্র প্রাকৃতিক ভাবে গড়ে ওঠা বনাঞ্চল সংরক্ষণ করতে পারলেই ঘনবনে পরিণত হবে ইনশাল্লাহ ।
দেশের অক্সিজেনের ভান্ডার, জীববৈচিত্রের রক্ষনে লোভ লালসা, নিজ স্বার্থ ত্যাগ করে প্রকল্প ডাস্টবিনে নিক্ষেপ করে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা বনাঞ্চল সংরক্ষণ করুন। দেখবেন আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সোনার বাংলা সবুজায়নে ভরে যাবে হাতি ও বন্যপ্রাণী সহ জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে । লামা বন বিভাগের ডলুছড়ি রেঞ্জ ও সরই বন ক্যাম্পের সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে অবৈধভাবে সংগৃহীত জ্বালানি কাঠ নাকের ডগা দিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে ইটের ভাটায় পাচার হয়ে যাচ্ছে। বনবিভাগ নির্বিকার।