মঙ্গলবার, ০২ জুন, ২০২৬

সকল ভেদাভেদ ভুলে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান পার্বত্য মন্ত্রীর

  • প্রকাশিত: ২ মে ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১ মাস আগে

 

 

নিজস্ব প্রতিনিধি:- গত রাতে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ বুড্ডিস্ট ফেডারেশনের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপি। তিনি ঐক্য, সম্প্রীতি ও শান্তির বার্তা প্রদান করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী  দীপেন দেওয়ান এমপি গৌতম বুদ্ধের অহিংসার বাণী স্মরণ করে বলেন, পৃথিবীর সব ধর্মই মানব কল্যাণ, শান্তি ও সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। মন্ত্রী সকল ধরনের হিংসা, বিদ্বেষ, যুদ্ধ ও সংঘাত পরিহার করে মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারা দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সকল ধর্মের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য। তিনি বলেন, বৈষম্যহীন, সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়তে হলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিকল্প নেই।

মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আরও যোগ করেন যে, বুদ্ধ পূর্ণিমা কেবল বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের উৎসব নয়, এটি বাঙালির শাশ্বত হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক। তিনি জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ভেদাভেদ ভুলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য যে, বুদ্ধ পূর্ণিমা বা বৈশাখী পূর্ণিমা হলো বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের পবিত্রতম উৎসব। এই দিনে মহামতি গৌতম বুদ্ধ জন্মগ্রহণ করেন, বোধিজ্ঞান লাভ করেন এবং মহাপরিনির্বাণ লাভ করেন। গৌতম বুদ্ধের “জীব হত্যা মহাপাপ” এবং “অহিংসাই পরম ধর্ম”—এই চিরন্তন বাণীগুলো আজও সমাজ ও রাষ্ট্রে শান্তি প্রতিষ্ঠায় পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে। এই দিনটি উপলক্ষে অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আলোচনা, বিশেষ প্রার্থনা এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বুদ্ধের জীবন ও দর্শনের তাৎপর্য তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়া-কে সংবর্ধনা জানানো হয়। এ সময় তাঁর শিক্ষামূলক ও সামাজিক অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন উপস্থিত অতিথিরা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। সমাপনী বক্তব্যে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন যে, শান্তি, সম্প্রীতি ও মানব কল্যাণের বার্তা এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সারা সমাজে ছড়িয়ে পড়বে। বার্তা প্রেরক মো. রেজুয়ান খান, জনসংযোগ কর্মকর্তা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়#

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...