শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

আবারো রাঙামাটি পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠছে ঝুলন্ত সেতু

  • প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৫, ৬:৪৩ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ৬ মাস আগে
নিজস্ব প্রতিবেদক: দুই মাস ২৬ দিন পর  রাঙামাটির পর্যটনের  ঝুলন্ত সেতুর পাটাতন থেকে পানি সরে যাওয়ায় দৃশ্যমান হয়েছে ।  কাপ্তাই হ্রদে পানি কমতে থাকায় অবশেষে দীর্ঘ দিন পর সেতুর পাটাতন থেকে পানি সরে গিয়ে সেতুটি দৃশ্যমান হয়ে আসছে। এতে আবারো পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠছে ঝুলন্ত সেতু।পর্যটন কর্তৃপক্ষ সূত্র জানাগেছে, ৭০ দশকের পর  রাঙামাটি জেলাকে পর্যটন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ১৯৮৬ সালে পর্যটন করপোরেশন পর্যটকদের সুবিধার্থে দুই পাহাড়ের মাঝখানে তৈরি করে এই আকর্ষণীয় ঝুলন্ত সেতুটি।   প্রতিবছর অসংখ্য পর্যটক সেতুটি দেখতে ভিড় করেন। তবে কাপ্তাই হ্রদে পানি বৃদ্ধির কারণে প্রতি বছর সেতুটি নির্দিষ্ট একটা সময় বৃষ্টি ও সীমান্তে উজানের ঢলে হ্রদের পানিতে ডুবে থাকে। এবছর হ্রদের পানি বেড়ে যাওয়ায় গত ২৯ জুলাই ডুবে যায় সেতুটি। সেতু ডুবে যাওয়ায় পর্যটক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেন পর্যটন কর্তৃপক্ষ। এসময় অনেক দর্শনার্থী ভ্রমণে এসে  সেতুতে ঘুরতে এসে হতাশ হয়ে ফিরে যায়। তবে এখন সেতু দৃশ্যমান হওয়ায় পর্যাটকরা আসতে শুরু করেছে। উল্লেখ্য, ১৯৮৬ সালে পর্যটন করপোরেশন পর্যটকদের সুবিধার্থে দুই পাহাড়ের মাঝখানে অপরিকল্পিত ভাবে নিমার্ণ  করেন ঝুলন্ত সেতুটি। হুসেন মুহাম্মদ এরশাদ উদ্বোধনের দিনে পাটাতনে ৩ ইঞ্চি পানি দেখা গেছে।রাঙামাটি পর্যটক কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা জানান, চলতি বছরের ১০ জুনের পর রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদের পানিতে সেতুটি ডুবে যায়। সে সময় পর্যটকদের জন্য সেতুতে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়েছিল। পানি কমে যাওয়ার ফলে সেতুর সংস্কার  কাজ চলছে। শুক্রবার থেকে পর্যটকদের জন্য সেতুর দৃশ্য উপভোগ করার জন্য খুলে দেয়া হবে। এতে সেতুর ওপর চলাচল করতে পারবে পর্যাটকরা ।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...