দরপত্রে অংশগ্রহণকারী ঠিকাদারদের কাছ থেকে বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া যায়। যেমন-
১। LTM টেন্ডারে লটারী হওয়ার পূর্বেই Non-Response করা।
২। OTM টেন্ডারে অফিসিয়াল এস্টিমেট অন্য ঠিকাদারকে জানিয়ে দেওয়া।
৩। সকল ডকুমেন্ট ঠিক থাকার পরও কাজ না দেওয়া
৪। ছোট ভুল হওয়া সত্ত্বেও মূল্যায়ন কমিটি বড় ধরনের শাস্তি দেওয়া।
৫। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট না মেনেই অন্য ঠিকাদারকে Contact Award প্রদান।
৬। আদর্শ দলিলপত্র না মেনেই দরপত্র আহ্বান।
৭। দরপত্রে এমন কিছু শর্ত উল্লেখ করা হয়, যাতে দরপত্রে অবাধ প্রতিযোগীতার অভাব হয়
৮। এমন ভাবে দরপত্র শিডিউল তৈরি করা হয়, যাতে একজনই শুধু Response হতে পারে।
৯। পাহাড়ে আয়কর ফাকির কৌশল উপজাতীর নামে একাধিক ব্যক্তি কাজ করা ।
১০। পাহাড়ে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে ১৭ বছরে দলীয় সম্পৃক্তরা কাজ ভাগিয়ে নিয়েছে এখনো নতুন কৌশলে আরেকদলের কিছু নেতারা ভাগিয়ে নিচ্ছে শতকোটির কাজ ।
১১। পার্বত্য জেলা গুলোতে স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা না থাকায় হাজার কোটি টাকা দলীয় ঠিকাদার পকেটে । যেমন ২৪ এপ্রিল পৌরসভার সাড়ে ১২ কোটির টাকার কাজ বৈধ ভাবে পাই মায়াধন চাকমা ।কিন্ত অবৈধ হস্তক্ষেপে প্রথম দরদাতাকে বাতিল করে সাড়ে ১৩ কোটি ১লক্ষাধিক টাকায় তিনদিনের মধ্যে কৌশলে কার্য্যদেশ দেন নির্বা
হী প্রকৌশলী ।
এভাবে শত শত অভিযোগ আসলেও সঠিকভাবে রিভিউ প্যানেলে কেউ যেতে পারে না। অথচ আমরা জানি রিভিউ প্যানেলে আপনার পক্ষেই রায় হয়ে থাকবে এবং রিভিউ প্যানেলের সিদ্ধান্তেই চূড়ান্ত।
আমাদের টিম আপনার অভিযোগের বিপরীতে সঠিকভাবে রিভিউ প্যানেল গঠন, রিভিউ প্যানেলে যুক্তি-তর্ক সাপেক্ষে সত্য ও সঠিক রায় অর্জন সহ সকল ধরনের সহযোগীতা করতে প্রস্তুত।