- নিজস্ব প্রতিনিধি:- আমি মোঃ মোজাম্মেল হক রাঙামাটি পার্বত্য জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বরকল উপজেলার হরিণা বাজারের ব্যবসায়ী।
- ২ মে সকাল সাড়ে ১০ ঘটকায় স্থানীয় ক্যাপে লিংক সাংবাদিক সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন মো: মোজােম্মেল হক।
- তিনি বলেন, বিগত ২৫ বছরের অধিক সময় ধরে হরিণায় ব্যবসা করে আসছি। কাঠ ব্যবসার পাশাপাশি আবুল খায়ের গ্রুপের ডিলারশীপের ব্যবসাও পরিচালনা করি। আমার দীর্ঘ ব্যবসায়িক জীবনে কারো সাথে দ্বন্দ-সংঘাত ঘটেনি। সততার সাথে ব্যবসায়িক লেনদেনের কারণে ব্যবসায়ী বন্ধু, শ্রমিক এবং আপামর এলাকাবাসীর সাথে আমার সুসম্পর্ক গড়ে উঠেছে। আমার কাছে কোন ব্যবসায়ী ও শ্রমিক টাকা পাওয়ানা নেই। একইসাথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছেও আমি স্বচ্ছ ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছি।
- লিখিত বক্তব্য আরো বলেন, বিগত ২৫ বছর ধরে হরিণায় ব্যবসা পরিচালনা করতে গিয়ে কারো সাথে দ্বন্দ সংঘাত সৃষ্টি হয়নি। সততার সাথে ব্যবসা পরিচালনা করার কারণে ব্যবসায়ী সমাজ,শ্রমিক ও এলাকাবাসীর সাথে সুসর্ম্পক রয়েছে।স্থানীয় রবিউল ইসলাম ও নুর হোসেন আমাকে ব্যবসায়ীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীক সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ভিক্তিহীন তথ্য প্রচার করেছে।
- ্এবং প্রতিষ্ঠানে ও আমার ওপর হামলার ষড়যন্ত্র করছে। আমার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ও আমার কাছে চাঁদা দাবি করায় আমি চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করি। সাইবার পিটিশন নং-১৩৯/২০২৬। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। একইসাথে আমার জানের নিরাপত্তা চেয়ে বরকল থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছি। ইতোমধ্যে আপনারা পত্র-পত্রিকা ও অনলাইনে সেই নিউজ প্রচার করেছেন।
- এসব অপপ্রচারের মাধ্যমে শুধু আমার মানহানি করছে তা নয়, এখানকার হাজার হাজার ব্যবসায়ির নিরাপদ ব্যবসাকেও বিপদের মুখে ফেলছে। সকল ব্যবসায়ীর পক্ষ থেকে দাবি জানাচ্ছি- এ ধরনের অপপ্রচারকারী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শান্তি দেয়া হোক।
- আমি সৎভাবে ব্যবসা পরিচালনা করি এবং কোন ধরনের অপকর্মের সাথে সম্পৃক্ত নেই। আপনারা আপনাদের অনুসন্ধানের মাধ্যমে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মারফত আমার এসব তথ্য অবশ্যই জানতে পারবেন। এতদ্বসত্তেও আমার বিরুদ্ধে যে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে আমার মান হানি করেছে। এজন্য আপনাদের মাধ্যমে রবিউল ইসলাম ও নুর হোসেনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানাই। একইসাথে এরা যেন আর কোন ব্যবসায়ীকে হেয়-প্রতিপন্ন ও ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে সে ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিও অনুরোধ করছি।
- কোন প্রেক্ষাপটে মামলা করেছি তার বিস্তারিত তুলে ধরেছি। আমার মত আর কোন ব্যবসায়ীকে যাতে তারা ক্ষতিগ্রস্ত ও মানহানি করতে না পারে তাদের মুখোশ জাতির কাছে তুলে ধরার জন্য আপনাদের প্রতি অনুরোধ করছি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ১) সিদ্দিক সওদাগর, সভাপতি, বরকল উপজেলা বিএনপি,২) মোঃ সোলায়মান সওদাগর, সভাপতি, হরিণা ব্যবসায়ী সমিতি,৩) মোঃ জাকির হোসেন, সহ সভাপতি, হরিণা ব্যবসায়ী সমিতি,৪) মোঃ শফিক, সিনিয়র সহ সভাপতি, রিজার্ভ বাজার ব্যবসায়ী সমিতি,
- ৫) নাঈমুর রহমান দুর্জয়, হরিণা বাজার রাঙামাটি বক্তব্য হুবহু উপস্থাপন করা হল।
- সহ-সভাপতি, রাঙ্গামাটি সরকারী কলেজ ছাত্রদল।আহবায়ক সদস্য, রাঙ্গামাটি সদর থানা ছাত্রদল।রবিউল ইসলাম বিগত সময় ছাত্রলীগের ইউনিয়ন সেক্রেটারি ছিলো। ওর বাবা আবদুল মোতালেব মুন্সী বরকল উপজেলা আওয়ালীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং ওদের পুরো পরিবার আওয়ামীলীগ এর রাজনীতির সাথে সরাসরি জড়িত। বিগত আওয়ামীলীগ আমলে ওরা এলাকার অনেক মানুষের উপর নানা রকম নির্যাতন চালিয়েছে। এর ভিতর আমার পরিবার অন্যতম। আমার মামা সরকারি চাকরির পাওয়ার পর আমার মায়ের কাছে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে রবিউলের পরিবার। আমার মা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা আমাদের পরিবারের উপর হামলা করার সুযোগ খুজতে থাকে।
- এলাকায় আমি ও আমার পরিবার বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার কারণে আমাদের উপর নির্যাতন চালায়। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের ১ দিন আগের রাতে ওর পরিবার আওয়ামীলীগ এর ৩০-৪০ জন নেতাকর্মী নিয়ে রাতের আধারে ডাকাতি করার উদ্দ্যেশ্যে আমার পরিবারের উপর আক্রমন চালায়। আমার পরিবার আগে থেকে বিষয়টা জানতে পেরে যায়। ওরা আক্রমন করার পরে আত্মরক্ষামুলক ভাবে এলাকার লোকজন ওদেরকে ধাওয়া দিয়ে আমাদের এলাকা থেকে বিতারিত করে দেয়। তার কিছু সময় পরে ওরা পুলিশ নিয়ে গিয়ে আমার নানা তৎকালীন ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার আব্দুস সবুর তালুকদার (মেম্বার) কে ধাওয়া দিয়ে শীতের রাতে পানিতে নামায় এবং নির্বাচনের দিন সকালে জোর পূর্বক ভাবে আমার নানাকে ওদের দলীয় কার্যালয়ে ধরে নিয়ে আটকে রাখে এবং ওই সময় তাকে হত্যার হুমকি প্রদান করে। তারা এরকম বহু পরিবারের উপর অত্যাচার করেছে।#