নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙামাটি স্থাস্থ্য বিভাগে জৈষ্ঠ্যাতা লংঘন করে পদন্নোতি ও পোষ্ঠিং বানিজ্যর চ্যাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে । পার্বত্য জেলা পরিষদের হস্তান্তরিত বিভাগের কর্মচারী নিয়োগ প্রবিধানমালা ২০০০(২০০০ সনের ৮নং প্রবিধানমালা)পদন্নোতি বিধিমালা লংঘন করা হয়েছে। বিধিমালা ৩(১) ১৯৯ নং পৃষ্ঠার ধারা মোতাবেক জাতীয় বেতন স্কেল /১৫ এর ১২৫০০/৩০২০০ টাকা বেতনস্কেলে ০৮/১১/২০১৮ইং স্থলে ০৫/১১/২০১৫ ইং গন্য করিয়া সকল স্যানিটারী ইন্সপেক্টর মধ্যে সিনিয়ার স্যানিটারী ইন্সপেক্টর (এসআই)মোছাম্মদ নাছিমা আকতার খানম অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে পদন্নোতি করা হয়নি।
পরিচিতি: মো: সেলিম সালাহ উদ্দীন জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর (ভারপ্রাপ্ত) যোগদান ২৮/১০/২০০৪ ইং জন্ম :১৫/১২/১৯৮২ ইং মোছাম্মদ নাছিমা আকতার খানম স্যানিটারী ইন্সপেক্টর,রাঙামাটি সদর, উপজেলা স্থাস্থ্য ও প.প.কর্মকর্তার কার্য্যলয় সরকারি চাকরিতে যোগদান ২৫/০৬/১৯৯৬ ইং জন্ম: ২০/১০/১৯৭৩ইং
অপরদিকে সেলিম সালাহউদ্দীন স্যানিটারী ইন্সপেক্টর কর্ম এলাকা বরকল উপজেলা স্থাস্থ্য বিভাগ হতে পদটি শুন্য রেখে পোষ্টিং বানিজ্যমতে রাঙামাটি সিভিল সার্জন অফিসে বদলী হয়। এ.এইচ.আই যাহার জুনিয়ার স্যানিটারী ইন্সপেক্টর কার্যক্রম পরিচালনার এষতিয়ার নেই।
পরবর্তীতে জৈষ্ঠ্যাতা লংঘান করে ৮বছরে জুনিয়ার সেলিম সালাউদ্দীনকে ডিজির পর পর ২টি আদেশ উপেক্ষা করে জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর করার অফিস কাগজপত্রে পর্যালোচনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রমান উঠে আসে। ২০২২ সালে স্থাস্থ্য বিভাগে যোগদানের ৭ মাস পর জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের জেলা কার্য্যলয়ে মাসিক হাজিরা সিটে সেলিম সালাউদ্দীন জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর (ভারপ্রাপ্ত) লেখার অভিযোগ উঠেছে। স্যানিটারী ইন্সপেক্টর হিসাবে তিনি ২০১৫ হতে ২০২২ সাল পর্যন্ত একটি মামলা করা হয়নি। অথচ তার আগে যিনি সিনিয়ার স্যানিটারী ইন্সপেক্টর দায়িত্ব থাকা কালিন সময়ে বিভিন্ন অপরাধে ৫০টির অধিক মামলা হয় ।
জুনিয়ার স্যানিটারী ইন্সপেক্টর সেলিম সালাহউদ্দীন স্বারক নং-সি.এস/রাঙা/সংস্থা-৩/২০১৫-২০১৬/২৬১৪(৯) তারিখ-০৫/১১/২০১৫ ইং প্রদান করা পদন্নোতির আদেশের শেষে স্পষ্ট লেখা আছে (তাহাকে নিজ বেতনে) স্যানিটারী ইন্সপেক্টর যোগদানের তারিখ হতে পদন্নোতি প্রাপ্ত পদের গ্রেড করা হবে যাহা বাংলাদেশ স্যানিটারী ইন্সপেক্টর পদায়ন বিধির সর্ম্পুণ পরিপন্থি। বাংলদেশ স্থাস্থ্য অধিদপ্তরে এই ধরনের পদন্নোতি আদেশ দেয়া হয়নি জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাগেছে, স্যানিটারী ইন্সপেক্টর হিসাবে সেলিম সালাহউদ্দীন আদেশ অকার্যকর অবস্থায় রয়েছে । তিনি পদন্নোতি নিয়ে ২০১৬ সালে লংগদু উপজেলা স্থাস্থ্য বিভাগে স্যানিটারী ইন্সপেক্টর পদটি খালি করে বরকল উপজেলায় যোগদান করেন। ২০২২ সাল হতে বরকল উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর পদটি খালি করে (পোষ্টিং বানিজ্য )রাঙামাটি জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর পদে বহাল। ফলে রাঙামাটি জেলা শহরে খাদ্যের ভেজাল বিরোধী কার্যক্রমসহ স্যানিটারী ইন্সপেক্টর আদালতের কার্যক্রম স্তদ্ধ করে রেখেছেন।
বিভিন্ন স্বারক ও সুত্র যথা ক্রমে-১। ০৫.৪২.৮৪০০.৪০২.১২.০১৩.১৫-১০৪৩ তারিখ:২০/০৭/২০১৫ ইং ২।সি.এস/রাঙ্গা/২০২৪/৭২১(৯) তারিখ:১৮/০৩/২০২৪ইং ৩।সি.এস.রাঙ্গা/সংস্থা-৩/২০১৫-১৬/২৬১৪(৯) তারিখ:৫/১১/২০১৫ ইং ৪। সি.এস.রাঙ্গা/সংস্থা-২/২০১৮/১০৫/১(২) তারিখ: ১৯/০১/২০১৮ ইং ৫। সি.এস.রাঙ্গা/২০২২-২৩/১৯৪২ তারিখ:০৯/০৮/২০২৩ ইং ৬। উ:স্বা:প:প:ক:সদর/রাঙ্গা/১৯/১৩৭৭ তারিখ:০৩/১০/২০১৯ ইং ৭। মহাপরিচালক: স্বা:অধি:/প্রশা:-৩/প্রদায়ন-৩৭/২০০০(অংশ)-১/২৭০৩৭ তারিখ ১২/০৮/২০২০ ইং ৮।২৯.৩৪.৮৪০০.২০১.১৯.০০১.১৯-৭৮৪ তারিখ:-০৯/০৩/২০২০ ইং ৯।স্বা:অধি:/প্রশা:-২/ডিএসআই/এসআই/বদলী কমিটি-৬৬/১৯ (অংশ-১)/১০৩০ তা: ১৫/০৩/২০২৩ ই!
গংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাগেছে, জৈষ্ঠ্যাতা লংঘনের বৈষম্যতা: মো:সেলিম সালাহ উদ্দীন জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর (ভারপ্রাপ্ত) ট্রেনিং কোর্স ব্যাচ:৫৭ নিে বেতনে যোগদান ০৪/০৭/২০১৫ ঈং দায়িত্ব পালন ৭ বছর ৬ মাস পদন্নোতি তারিখ ০৫/১১/২০১৫ইং জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর অভিজ্ঞতা নেই, ২০২২ সাল পর্যন্ত নিরাপদ খাদ্য আইন ও অন্যন্যা আইনে আদালতে (নিয়মিত) দায়ের মামলার সংখ্যা নেই। আদায়কৃত জরিমানা শুন্য বকেয়া জরিমানা আদায় শুন্য,সাজা প্রদানকারী মামলার সংখ্যা নেই ।
মোছাম্মদ নাছিমা আকতার খানম স্যানিটারী ইন্সপেক্টর,রাঙামাটি সদর স্যানিটারী ইন্সপেক্টর ট্রেনিং কোর্স সম্পন্ন করার ব্যাচ:৫৪ তম স্যানিটারী ইন্সপেক্টর হিসাবে নিজ বেতনে যোগদান ০১/১২/২০১৩ ইং স্যানিটারী ইন্সপেক্টর হিসাবে দায়িত্ব পালন(২০২২ সাল পর্যন্ত ) ৯ বছর ১ মাস, স্যানিটারী ইন্সপেক্টর হিসাবে পদন্নোতির তারিখ:০৫/১১/২০১৫ ইং স্যানিটারী ইন্সপেক্টর হিসাবে অভিজ্ঞতা (২০২২ সাল পর্যন্থ) জানুয়ারী-২০১৮ সাল থেকে নভেম্বর /২০১৮ পর্যন্ত। ২০২২ সাল পর্যন্ত নিরাপদ খাদ্য আইন ও অন্যান্য আইনে আদালতে (নিয়মিত) দায়েরকৃত মামলার সংখ্যা: ২৫টি ,রায়কৃত জরিমানার পরিমান ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা ,আদায়কৃত জরিমানা ২৫ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা। বকেয়া জরিমানা (আদায় যোগ্য) ১ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা ও সাজাপ্রাপ্ত মামলার সংখ্যা- ৫ ।
এই বিষয়ে স্যানিটারী ইন্সপেক্টর মোছাম্মদ নাছিমা আকতার খানম প্রতিবেদককে জানায়, আমার প্রতি অবিচার ও বৈষম্য করা হয়েছে। তিনি স্থাস্থ্য তক্তাবধায়ক পদটি খালি থাকলে সদরে স্যানটারী ইন্সপেক্টর অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করার নির্দেশনা রয়েছে স্থাস্থ্য অধিদপ্তর ডা: জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত স্বারক নং-স্থা: অধি/প্রা:স্থা: প:/প্রশাসন/১০/৪৪৩৫(৬৪)/১(৭) ৩০/০৩/১৯৯৭ ইং। এরপরেও সিভিল সার্জন অফিসের সাবেক প্রধান সহকারী নজরুল ইসলাম অনৈতিক সুবিধা গ্রহন করে পদন্নোতি ও পোষ্টিং বানিজ্যে করেছে বলে অভিযোগ করেন।