তারপরও জেনে শুনে অনেকেই ঢাকা বনবিভাগে তদবির করে মোটা অংকের পুঁজি বিনিয়োগ করে চাকরী করার জন্য লাইন ধরে অপেক্ষা করে। এর পিছনে রহস্য কি ? কি আছে ঢাকা বন বিভাগে ? ঢাকা বন বিভাগে কি আলাদিনের চেরাগ পাওয়া যায় ? পাওয়া না গেলে ঢাকা বন বিভাগে আসার জন্য এত প্রতিযোগিতা কেন ? কয়েকদিন আগে টাঙ্গাইল বন বিভাগে জবরদখল উচ্ছেদ করতে গিয়ে ১২ জন বন কর্মী ভূমি দস্যুদের হাতে মারাত্মকভাবে আহত হয়ে এখনো হাসপাতালের বেডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জীবন রক্ষার্থে কাতরাচ্ছে। এর ক্ষত শুকাতে না শুকাতেই ঢাকা বনবিভাগের রাজেন্দ্রপুর রেঞ্জে এক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে গেল। শিক্ষানবিশ এক মহিলা সহকারী বন সংরক্ষক অপমানিত, লাঞ্ছিত হলেন। কিন্তু কেন ? কাদের দুর্বলতায় লাঞ্ছিত হলেন মহিলা সহকারী বন সংরক্ষক ? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কি ব্যাপারটি খতিয়ে দেখেছেন ? ঢাকা বন বিভাগের রাজেন্দ্রপুর রেঞ্জের রাজেন্দ্রপুর পূর্ব বিটের আওতায় ৪৯ নং কাপিলাতলী মৌজায় ইজ্জত পুর এলাকায় গত দুই মাস পূর্বে বন বিভাগ ও যৌথবাহিনীর অভিযানে সরকারি সংরক্ষিত বনে অবৈধভাবে নির্মাণ করা পাকা, আধা পাকা প্রায় শতাধিক ঘরবাড়ি, দোকানপাট অভিযান চালিয়ে সব ভেঙ্গে দেয় হয়। কিন্তু বিট অফিসার পতিত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার দোসর আওয়ামী নেতা আমজাদ হোসেন বনের মধ্যে একটি রাস্তা ও একটি রিসোর্ট এর পাশে বনের জায়গায় ড্রেন করে ও বড় আকারের গেইট নির্মাণ করে বিট অফিসার কে বিএম ফেরদৌস ফরেস্টারকে মোটা অংকের টাকায় ম্যানেজ করে।
অত্র রিসোর্ট এর পাশেই একটি বড় কারখানার মালিক শফিক সে লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বিট অফিসারের সম্মতি নিয়ে বনের জায়গায় এই বিশাল রাস্তা করে। যৌথ বাহিনীর অভিযানের ঠিক দুই দিন আগে রাস্তায় পিচ ঢালাই করে কিন্তু বিট অফিসার এই বিষয়টি যৌথ বাহিনীর কাছে গোপন রাখে । বিভিন্ন মাধ্যমে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নিকট অবৈধভাবে রাস্তা নির্মাণের ভিডিও সহ অবগত করা হয় কিন্তু কিন্তু বিভাগীয় বন কর্মকর্তা নীরব। এর রহস্য কি ? যৌথ বাহিনীর অভিযানে সাধারণ লোকজনের ঘর ভাঙ্গাতে সাধারণ লোকজন প্রতিবাদ করে বলছে আমাদের ঘর ভাঙলো কিন্তু বনের মধ্যে রাস্তা, রিসোর্ট, বনের জায়গা ড্রেন, বড় আকারের ফটক নির্মাণ করলো তাহা ভাঙ্গা হলো না কেন ? রাজেন্দ্রপুর রেঞ্জ অফিস আক্রমণের এটাও একটা কারণ হতে পারে ।
অপরদিকে নোয়াগাঁও মৌজায় রাজেন্দ্রপুর গাজীপুর রাস্তার পাশে দাঁতের ডাক্তার মনজুরুল হক মঞ্জুর বাড়ির পাশে সংরক্ষিত বনে শরাফত নামে এক ভূমিদস্য বিট অফিসারকে লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে বহুতল বিশিষ্ট বাড়ি নির্মাণ করছে যার কাজ এখনো চলমান । এই অবৈধ বাড়ি নির্মাণের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করার পরও কর্তৃপক্ষ নীরব। এতে জনগণ ক্ষিপ্ত হয়ে রাজেন্দ্রপুর রেঞ্জ অফিস আক্রমণের আরেকটি কারণ । জনগণ স্লোগান দিচ্ছিল বনের জায়গায় কেউ থাকবে আর কেউ থাকবে না তা হবে না তা হবে না। উচ্ছেদ করতে হলে সবাইকে উচ্ছেদ করতে হবে । সচেতন নাগরিকের প্রশ্ন, ইট সিমেন্ট, শুরকি দিয়ে একদিনে তো আর পাকা, আধা পাকা ঘরবাড়ি, পাকা রাস্তা, ড্রেন, কারখানা, কারখানার প্রধান ফটক, বহুতল বিশিষ্ট দালান, দোকানপাট গুলো নির্মাণ হয়নি ? প্রথমেই বাধা দেওয়া হলো না কেন ? কার স্বার্থে কিসের স্বার্থে বাধা দেওয়া হলো না ? পূর্ববতী অফিসারদের অপকর্মের দায়-দায়িত্ব শিক্ষানবিশ অফিসারদের উপর বর্তাবে কেন ? আবুল কালাম (অব:) বনবিভাগ ।


<img class="x16dsc37" role="presentation" src="data:;base64, ” width=”18″ height=”18″ />
<img class="x16dsc37" role="presentation" src="data:;base64, ” width=”18″ height=”18″ />
All reactions:
You, Anowar Jewel and 15 others