বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

নারীকে প্রধান বিচারপতি করার আফসোসটা থেকে গেল : প্রধানমন্ত্রী

  • প্রকাশিত: ৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ১০:৩৪ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২ বছর আগে

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি সরকারে এসে দেখলাম আমাদের উচ্চ আদালতে কোনো নারী জজ নেই। তখন আমি উদ্যোগ গ্রহণ করি। আমাদের আইনমন্ত্রীকে বলেছি, উচ্চ আদালতে জজ নিয়োগে যদি কোনো নারীর নাম না থাকে তাহলে আমি ওই ফাইল কখনও সই করে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাব না। সেই থেকেই যাত্রা শুরু।

তিনি বলেন, একটি মজার ঘটনা হলো, আমাদের দেশের প্রথম নারী জজ হলেন নাজমুন আরা সুলতানা। তিনি অ্যাপিলেট ডিভিশনেরও জজ ছিলেন। তাকেই প্রধান বিচারপতি করার ইচ্ছে ছিল।

তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান আমলে আমাদের অনেক প্রতিবন্ধকতা ছিল। পাকিস্তানের আইনে ছিল যে, নারীরা জুডিশিয়াল সার্ভিসে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। স্বাধীনতার পরে জাতির পিতা এই আইনটি পরিবর্তন করেন। আইনটি পরিবর্তন হওয়ার পরে আমাদের দেশের নারীরা জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগদান করতে পারেন।

নারী শিক্ষায় বেগম রোকেয়ার অবদান উল্লেখ করেন সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের দেশে বাঙালি নারী, বিশেষ করে মুসলিম নারীদের শিক্ষার দ্বার বেগম রোকেয়া উন্মুক্ত করেছিলেন। যে কারণেই হয়তো আজকে আমরা এখানে সমবেত হতে পেরেছি। আমাদের এ উপমহাদেশে নারীরা কিন্তু প্রতিটি ক্ষেত্রে সবসময় অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমরা নারীদের অবদান দেখেছি। পাকিস্তান আমলে নারীদের অনেক বাধা ছিল। অনেক কর্মক্ষেত্রে নারীদের সুযোগও দেওয়া হতো না। স্বাধীনতার পরে জাতির পিতা কিন্তু সেই ‍সুযোগটা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, বেগম রোকেয়ার আমলে মুসলমান নারীদের ঘরে অবরুদ্ধ থাকতো। তাদের লেখাপড়া করার কোনো সুযোগ ছিল না। তবে বেগম রোকেয়াকে তার স্বামী ও ভাই সবসময় সহযোগিতা করেছেন। তিনি নিজের প্রচেষ্টায় উর্দু, বাংলা, ইংরেজি এবং আরবি ভাষাগুলো শিখেছেন।

তিনি আরও বলেন, ডিসেম্বর আমাদের বিজয়ের মাস। ১৯৭১ সালে আমাদের মহান নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে দেশের মানুষ অস্ত্র হাতে তুলে নিয়ে বিজয় অর্জন করেছিলেন।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...