৩০ এপ্রিল জেলা প্রশাসনের নিজস্ব কার্য্যলয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাক্ষ্যৎকার বলেছেন। পৌরসভার একমাত্র ডাম্পিং স্টেশন নিয়ে স্থানীয় বসবাসকারীদের সাথে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হয়।ময়লা আর্বজনা পরিস্কার পরিছন্ন চলমান আছে।
পৌর প্রশাসক আরো বলেন, কতুকছড়ি সড়কে ত্রিদিব নগরে পৌরসভার ডাম্পিং স্টেশনের জন্য সাবেক পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী জমি অধিগ্রহন করেছে। সেই জায়গায় স্থানান্তর করার কথা রয়েছে। ত্রিদিব নগরে স্থানাস্তর করা যায় কিনা আলোচনা করছি।তবে ১৭ মাইল দুরে অতিরিক্ত জ্বালানী খরচের কথা বিবেচনা করতে হবে।
গত কয়েকদিন ধরে স্থানীয়দের বাধার মুখে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ময়লা ফেলতে না পেরে বেশ কয়েকদিন ধরে বর্জ্য সংগ্রহ কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে। এতে শহরের বিভিন্ন সড়ক, বাজার ও আবাসিক এলাকায় ময়লার স্তূপ তৈরি হয়েছে।
ডাম্পিং স্টেশন নিয়ে সমস্যা শহরের প্রবেশমুখ রেডিও স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত পৌরসভার একমাত্র ডাম্পিং স্টেশনটি বন্ধ করে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে তারা এই স্থানান্তরের দাবিতে আন্দোলন করছেন এবং বর্তমানে ডাম্পিং স্টেশনের সামনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন।
পর্যটন শহরে প্রবেশের মুখেই ময়লার স্তূপ ও তীব্র দুর্গন্ধে পর্যটক ও স্থানীয়দের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। খোলা জায়গায় ময়লা জমে মশা ও রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। পৌর প্রশাসক স্থানীয়দের ডাম্পিং স্টেশন নিয়ে অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত সমস্যা সমাধান করেন। এবং পৌর শহরে ময়লা আর্বজনা পরিস্কার পরিছন্ন কার্যক্রম চালু করেছেন।
উল্লেখ্য কতুকছড়ি সড়কে ত্রিদিব নগরে ৩য় শ্রেণী পাহাড় ২য় শ্রেণী দেখিয়ে প্রায় ৫ কোটি ৩৭ লক্ষাধিক টাকার অধিগ্রহন করা হয়েছে। তবে ত্রিদিব নগর এলাকাবাসী সেই সময়ে মানব বন্ধনসহ জোরালো প্রতিবাদ জানিয়ে আছে