বিশেষ প্রতিনিধি: জাতিগত বিদ্বেষ বা ঘৃণা নীরবে অনেক জাতিগোষ্ঠীকে ধ্বংসের প্রান্তে নিয়ে যায়। পার্বত্য এলাকায় বাঙ্গালির বাইরে বৃহত্তম যে জাতির বসবাস তারা নিজেরাই নিজেদের ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট। নিজেদের মধ্যে স্বার্থ,আধিপত্য, নোংরা রাজনৈতিক খেলায় লিপ্ত হয়ে নিজেরাই হানাহানি করে নিজেদের লোকবল কমাচ্ছে।
অন্যদিকে নিজেরাই আধুনিকতার নামে অপসংস্কৃতিকে ধারণ করে নিজেদের ঐতিহ্যবাহী সমৃদ্ধ সংস্কৃতির বিনাশ করছে। নিজস্ব দালাল ও দেশি-বিদেশি দালালের খপ্পরে পরে নিজেদের মেয়েদের বিভিন্ন দেশে পাচার করে দিচ্ছে, আর এই কাজের সহযোগী নিজেদেরই নিম্নবর্গ হতে উচ্চবর্গের নারী পুরুষ।
দু:খজনক হলেও সত্য একজন নারী অধিকার কর্মীর গুম বা কথিত অপহরণের জন্য এরা যেভাবে সোচ্চার কিন্তু এই নারী পাচার নিয়ে তারা তেমন সোচ্চার নয়। কারণ এতে নগদ অর্থ,বিবিধ দামী উপহার,নারীদেহ,বিলাসী জীবন এইসব জড়িত। নিজেরাই যখন নিজেদের ধ্বংসের জন্য উম্মুখ থাকে তখন সেখানে সৃস্টিকর্তাও কোন সহায়তা করেন না। পাশাপাশি কিছু উচ্চ বিলাসী সুবিধাভোগী প্রতিটি দল পিছিয়ে পড়া কোন জাতিগোষ্টির খবর রাখে না বলে তৃণমুল এলাকার অভিযোগ।
বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক দলের ভ্রাতৃদ্বঘাতি সংঘাত চাদাবাজি,ঘুম খুন নিত্যদিনে বিষয়। দেশের বড় জনগোষ্ঠীকে এই ধ্বংসের জন্য দায়ী করে কোন লাভ নেই, পার্বত্য এলাকায় বসবাস করার সুবাদে আমার এই উপলব্ধি অনেক দিনের, কিন্তু কখনো প্রকাশ করা হয়নি। আজ অত্যন্ত ভারাক্রান্ত মনে আমার অনুভূতি প্রকাশ করলাম,তবে কাউকে উদ্দেশ্য করে বা কস্ট দেয়ার মানসে নয়। বাংলাদেশের সকল জাতিগোষ্ঠী যেন মঙ্গলময় থাকে।
Sent