বুধবার, ০৩ জুন, ২০২৬

 চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মোটর মালিক সমিতির নির্বাচন ১৯ পদে ৩৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা 

  • প্রকাশিত: ১৭ মে ২০২৫, ১২:৫৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১ বছর আগে

 নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন ২৪শে মে চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মোটর মালিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি সৈয়দ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান সোহেল (নির্বা চিত)ব্যতীত ১৯ টি পদে ৩৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন ।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে , সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে একজন করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ৪১ জনের মধ্যে ৩৯ প্রার্থী  নির্বাচনে  প্রতিদ্বন্দ্বী তা   করছেন। রাঙ্গামাটি (সংরক্ষিত ) ওসাইফুল ইসলাম সাকিল ও কার্যকরি সভাপতি চৌধুরী হারুনুর রশীদ।

সিনিয়ার সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আবদুর রহমান ও মোহম্মদ এমদাদুল হক ,সহ-সভাপতি মনছুর আহম্মদ চৌধুরী  ,দিদারুল আলম,আমিনুল হক। যুগ্ন সম্পাদক মনিরুল ইসলাম চৌধুরী,আলম।

সহ-সম্পাদক মোহাম্মদ সালাউদ্দীন,বিভাষ কান্তি সাহা,নুরুল আজম খান,কাজী জামাল,ইমতিয়াজ উদ্দীন। অর্থসম্পাদক মোহাম্মদ জামাল ও মোহাম্মদ হাসান। সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ জাহাঙ্গীর ও ইমরান হোসেন হিরা। দপ্তর সম্পাদক ইকতিয়ার উদ্দীন ও টিটু চৌধুরী অডিট সম্পাদক জাবের আহম্মদ ,আশিষ বড়ুয়া,মোহাম্মদ সেলিম ।  প্রচার সাইফুল্লাহ আহম্মদ ,হোসেন মনা । কার্যকরি সদস্যরা হলেন,রিদোয়ান সেলিম,দিদারুল আলম,আব্দুল মালেক,মোহাম্মদ জসিম,মোহাম্মদ আলী,জাহেদুল আলম,মো.শফি,জানে আলম,আমির হোসেন ও মো.হারুন।

১৭ মে: প্রতীক বরাদ্দ, ২৪ মে: ভোটগ্রহণ, নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোরশেদুল আলম কাদেরী।   তার আগে সোমবার সকাল থেকেই চট্টগ্রামস্থ সমিতির কার্যালয়ে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র গ্রহনের মধ্যে দিয়ে নির্বাচনের কার্যক্রম।মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে ১৩ মে: মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই, ১৪ মে: মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন, ১৫ মে: চূড়ান্ত প্রার্থিতা ঘোষণা,

প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোরশেদ কাদেরীর নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা প্রার্থীদের কাছ থেকে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন এবং ৪১টি মনোনয়নপত্র বৈধতা ঘোষনা করেন এ সময় সহকারী নির্বাচন কমিশনার ফিরোজ আহমেদ, সৈয়দ মনজুরুল হক মঞ্জু, আব্দুস শুক্কুর, মো. মতিউর রহমান ও আব্দুস সবুর।

উল্লেখ্য  এদিকে সদস্যদের মাঝে নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন প্রার্থী এরইমধ্যে গণসংযোগ, মতবিনিময় সভা ও প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন। পরিবহনখাত সংশ্লিষ্টদের আশা, এ নির্বাচন সমিতির ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে সুদৃঢ় করবে এবং পরিবহন সেবাকে আরও কার্যকর করে তুলবে।

সহকারী নির্বাচন কমিশনারগণ জানান, দীর্ঘ ১৭ বছর পর এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর আগে বিভিন্ন সময়ে স্বৈরাচারী সরকারের দলীয়করণ এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে পরিবহন মালিকরা স্বাধীনভাবে নিজেদের মত প্রকাশ করতে পারেননি। তারা বলেন, এবার মালিকরা নিজেদের ইচ্ছেমতো প্রার্থী দিতে পেরেছেন এবং একজন ভোটার হিসেবে মতামত দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন, যা গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...