নিজস্ব প্রতিনিধি:- কেন্দ্রীয় জামায়াত নেতা সাবেক সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল এটিএম আজাহারুল ইসলামের মুক্তির দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে রাঙামাটি জামায়াত ইসলামীর জেলা উপজেলা কমিটি নেতৃবৃন্ধরা। বিকাল ৪টায় বনরুপা পুলিশ বকস সামনে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।
দীর্ঘ ১৩ বছরেরও অধিক সময় কেন্দ্রীয় জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি এটিএম আজহারুল ইসলামকে ফ্যাসিবাদী সরকারের দেওয়া মামলায় কারাগারে বন্দি রাখার প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে কেন্দ্রীয় এই নেতার মুক্তির দাবিতে রাঙামাটি শহরে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ করেছে জামায়াত-শিবিরের অন্তত দুই হাজার নেতাকর্মী। রাঙামাটি জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আব্দুল আলীমের নেতৃত্বে মঙ্গলবার বিকেলে রাঙামাটি পৌরসভার প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ন রাঙামাটি-চট্টগ্রাম মহাসড়ক হয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয় সম্মুখে ঘুরে বনরূপা ট্রাফিক বক্সের সামনে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন, এটিএম আজহারের মতো মজলুম একজন জননেতাকে পতিত স্বৈরাচারি সরকার অন্যায়ভাবে মিথ্যা মামলায় কারান্তরীন করে রেখেছে। কিন্তু বর্তমানে ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশ দ্বিতীয়বারের মতো স্বাধীনতা লাভ করার ছয় মাস অতিবাহিত হওয়ার পরেও একজন জননন্দিত নেতাকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। উপদেষ্টারা কার ইশারায় কেন্দ্রীয় জামাত নেতা এটিএম আজহারকে কারাগারে আটকে রাখছে সেটি খতিয়ে দেখার দাবিও জানিয়েছেন জামায়াত নেতৃবৃন্দ।
আগামী ৭দিনের মধ্যে জামায়াত নেতা এটিএম আজহারকে মুক্তির আল্টিমেটাম দিয়ে রাঙামাটি জেলা জামায়াতের আমীর আব্দুল আলীম বলেন, বেধে দেওয়া সময়ে মধ্যে যদি এটিএম আজহারকে মুক্তি দেওয়া না হয়, তাহলে পাহাড় থেকেই দূর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
অপরদিকে রাঙামাটি জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি শহিদুল ইসলাম শাফী বিক্ষোভ শুরু প্রাক্কালে প্রদত্ত এক বক্তব্যে বলেন, বিগত ২০১৩ থেকে ১৪/১৫ সাল সময়ে তথাকথিত গণজাগরণ মঞ্চের মাধ্যমে পার্বত্য রাঙামাটিতে অরাজকতা সৃষ্টিকারিরা এখনো পর্যন্ত রাঙামাটির রাজপথে প্রকাশ্যে কিভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে এমন প্রশ্ন করে অবিলম্বে সেসময়ে গণজাগরনের নেতৃত্ব দেওয়া সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন রাঙামাটি শিবিরের সভাপতি শহিদুল ইসলাম শাফী ।
অধ্যাপক আব্দুল আলীম,আমীর, সভাপতিত্বে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা,মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম, নায়েবে আমীর,জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মো:মনছুরুল হক,এডভোকেট হারুনুর রশিদ, জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য,শহিদুল ইসলাম সাফী, সভাপতি ইসলামী ছাত্রশিবির,মো মাইনুদ্দীন,রাঙ্গামাটি পৌরসভা আমীর,হারুনুর রশিদ, কাপ্তাই উপজেলা আমীর,মাও জুলফিকার আলী, নানিয়ারচর উপজেলা আমীর,আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার, সভাপতি, কাউখালি উপজেলা,শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন জেলা সেক্রেটারী এড জিল্লুর রহমান,পৌর জামায়াতের এসিসটেন্ট সেক্রেটারী প্রমুখ । তার আগে পৌরসভা হয়ে জেলাপ্রশাসনের সামনে প্রধান পদক্ষিন করে বনরুপা পুলিশ বকস এসে শেষ হয়।