শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

পাহাড়ে প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসাবি বলি খেলা !

  • প্রকাশিত: ১১ এপ্রিল ২০২৬, ১:২২ অপরাহ্ণ | আপডেট: ৭ দিন আগে
                                                রাঙ্গামাটি প্রতিদিন : পাহাড়ে  চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের প্রধান সামাজিক   উৎসব বিজু, বৈসুক, সাংগ্রাই (বৈসাবি) তিন দিনব্যাপী আয়োজনে উদযাপিত হয়।
১১ এপ্রিল শনিবার ম্যারি ষ্টেডিয়ামে বলিখেলা ঘিলা খেলা জিুলুর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। আজ শনিবার সাপ্তাহিক বাজার দিনে কল্যানপুর বনরুপা সমতাঘাট ও তবলছড়ি বাজার উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। ম্যারি ষ্টেডিয়ামে  বলিখেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান ।
১২ এপ্রিল ফুল বিজু (ফুল ভাসানো), ১৩ এপ্রিল মূল বিজু (চাকমা) বা বৈসুক (ত্রিপুরা), এবং ১৪ এপ্রিল সাংগ্রাই (মারমা) ও নতুন বছরের উৎসবের মাধ্যমে পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী এই উৎসব পালিত হয় একদিন পরে ১বৈশাখ অনুষ্ঠান উদযাপিত হয়।
বিজু বৈসাবি উৎসবের তিন দিনের মধ্যে ১ম দিন (ফুল বিজু): এপ্রিল মাসের ১২ তারিখে ভোরে চাকমা সম্প্রদায়ের তরুণ-তরুণীরা নদীর পাড়ে ফুল ভাসিয়ে পুরোনো বছরের দুঃখ-গ্লানি মুছে ফেলার প্রার্থনা করেন এবং ঘরবাড়ি ফুল দিয়ে সাজান ।
২য় দিন (মূল বিজু): ১৩ এপ্রিল মূল বিজু বা বৈসুক পালিত হয়। এদিন ঘরে ঘরে বিশেষ রান্না ‘পাজন’ (কয়েক রকমের সবজির মিশ্রণ) পাজন তৈরি করা হয় এবং বড়দের স্নান করিয়ে আশীর্বাদ নেওয়া হয় । এইদিনে বিভিন্ন বাসাবাড়িতে পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী বাসভবনে খাবার দাবার পরিবেশন করা হয়। সকল সম্প্রদায়ের ভ্রাতৃত্বের বন্ধন ও সম্প্রদায়ের সম্প্রীতির মাধ্যমে আনন্দ উৎসব করা হয়।
  ৩য় দিন (গোইজ্জে পোইজ্জে/সাংগ্রাই): ১৪ এপ্রিল মারমা সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই বা জলকেলি উৎসবের মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি ঘটে। এদিন সবাই একে অপরের ওপর পানি ছিটিয়ে পবিত্র হওয়ার চেষ্টা করেন ।
এছাড়াও, এই উৎসব উপলক্ষে রাঙামাটিতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিভিন্ন লোকজ খেলার আয়োজন করা হয়, যা পাহাড়ের প্রথাগত নিয়মে উদযাপিত হয়। ১১ এপ্রিল শনিবার সাপ্তাহিক বাজারে শেষদিন কেনাকাটার ধুম পড়েছে।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...