নিজস্ব প্রতিনিধি: রাঙ্গামাটিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটে বিজু মেলা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর পৃথক পৃথক ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশন করা হয়।
সোমবার বিকালে রাঙামাটি কলেজ কাম্পাস থেকে র্যালী শুরু হওয়া ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গনে শেষ হয় । এ মেলার শুরুতে উদ্বোধন করেন প্রধান অথিতি পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি। বিশেষ অথিতি মেজর জেনারেল (অব:) অনুপ কুমার চাকমা ,চেয়ারম্যান,পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিনিধি সংস্কৃতি মন্ত্রনালয়। মোহাম্মদ নাজমুল হক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল,রিজয়িন কমান্ডার,রাঙ্গামাটি।নাজমা আশরাফি জেলা প্রশাসক রাঙ্গামাটি ।লে.কর্ণেল মো:একরামুল রাহাত পিএসসি,রাঙ্গামাটি সদর জোন। মুহাম্মদ আব্দুর রকিব পিপিএম পুলিশ সুপার রাঙ্গামাটি। প্রতিনিধি পার্বত্য চট্ট গ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ । সভাপতি কাজল তালুকদার রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।
পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, “এই উৎসব পাহাড়ের জনগোষ্ঠীর প্রাণের উৎসব। এই উৎসবের মাধ্যমে পুরনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে আমরা সকলের সুখ, শান্তি ও মঙ্গল কামনা করি।”
তিনি বলেন, “আমাদের সংস্কৃতি যত উন্নত হবে, তত আমরা এগ্রিয়ে যাবো। এই বিজু মেলার মাধ্যমে আমাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতিকে দেশসহ বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে চাই।”
আলোচনা সভা শেষে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, পাংখোয়াসহ অন্যান্য জনগোষ্ঠীর শিল্পীদের নিয়ে ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশন করা হয়।
এছাড়া মেলা ঘিরে শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরনীর আয়োজন করা হয়।
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যৌথ আয়োজনের এ মেলাটি চলবে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত।
এবারে মেলায় পাহাড়িদের বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পোশাক, খাবার ও অলংকার নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গীকে স্টল সাজানো হয়েছে। সন্ধ্যায় ম্রো সম্প্রদায়ের প্রথম নাটক“রিনাফ্লং” রচনা ও নির্দেশনায় সিং ইয়ং ম্রো ও ঝিমিত ঝিমিত চাকমা। প্রযোজনায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, রাঙামাটি। প্রতিদিন সন্ধ্যায় সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান ও নাটক পরিবেশন করা হবে ।#

