শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

প্রথম পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রাঙামাটি আগমনে পাহাড়ের জনগণ আনন্দের বন্যা-

  • প্রকাশিত: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২ মাস আগে
নিজস্ব প্রতিবেদক:- পার্বত্য চুক্তির আলোকে সৃষ্ট পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সৃষ্টির দুই যুগের অধিক সময়ের পর প্রথমবারের মতো পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী পেয়ে আনন্দের বন্যায় রাঙামাটিসহ পাহাড়ের জনগণ।
১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরের পর পরের বছর ১৫ জুলাই তিন পার্বত্য জেলা নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সৃষ্টি করা হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন রাঙামাটি আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এ্যাড. দীপেন দেওয়ান। দীর্ঘ দুই যুগের অধিক সময় পর রাঙামাটি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মন্ত্রীত্ব পাওয়ায় পাহাড় জুড়ে আনন্দের বন্যায় দিশেহারা -।
নিজ জেলা থেকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী পাওয়ার পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন রাঙামাটি বাসিন্দারা। মঙ্গলবার থেকেই নেতাকর্মীরা একে-অপরকে মিষ্টিমুখ করাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দীপেন দেওয়ানকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। পাশাপাশি দীপেন দেওয়ানকে রাজকীয়ভাবে বরণের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
শুরুতেই এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খাগড়াছড়ি থেকে নির্বাচিত কল্পরঞ্জন চাকমা। ২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট জয়ী হওয়ার পর রাঙামাটি জেলা থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মনি স্বপন দেওয়ানকে পার্বত্য উপমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১/১১   তত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ব্যারিষ্টার দেবাশীষ রায় পা:মন্ত্রনালয়ে দায়িত্ব দেয়া হয়।
২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গঠনের পর রাঙামাটি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদারকে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এরপর ২০১৪ সালে বান্দরবানের সংসদ সদস্য বীর বাহাদুরকে প্রতিমন্ত্রী এবং ২০১৯ সালে পুনরায় বীর বাহাদুরকে পার্বত্য মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০২৪ সালে খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরাকে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলা থেকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিত্ব পেলেও, এই প্রথম রাঙামাটি জেলা থেকে কোনও সংসদ সদস্য পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।
 সাবেক জেলা ছাত্রদল নেতা হাজী ছবুর বলেন, দীপেন দেওয়ান সরকারি চাকরি ছেড়ে বিএনপির রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পর ২০ বছর ধরে দুঃসময়ে দলের পাশে ছিলেন। রাজপথে মিছিল মিটিং লিফলেট বিতরণসহ অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে  তার এই আত্মত্যাগ দল মূল্যায়ন করেছে। আমরা কয়েকজন সারাক্ষণ দীপেন দেওয়ানকে সাহস উৎসাহ দিয়ে আসছি। রাঙামাটিবাসী দীপেন দেওয়ানকে সাদরে  বরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
জেলা বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও সাবেক সফল মেয়র সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভূট্টো  বলেন, আমাদের নেতা তারেক জিয়া রাঙামাটিবাসীকে মূল্যায়ন করেছেন। দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে জয়ী দীপেন দেওয়ানকে প্রথমবারের মতো পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিত্ব দেওয়ায় রাঙামাটিবাসী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আজীবন কৃতজ্ঞ। আশাকরি দীপেন দেওয়ান আস্থার নিশ্চয় প্রতিদান দিবেন। শীঘ্রই দীপেন দেওয়ানকে রাঙামাটিসহ পাহাড়ে রাজকীয়ভাবে সাদরে বরণ করছে।
প্রসঙ্গত:  প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল জিযাউর রহমানের উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী) সুযোগ্য সন্তান পিতার অনুসরনে- চাদপুর জেলা যুগ্ন জজ চাকরি ছেড়ে জাতীয়বাদী দলে অনুপ্রাণিত হয়ে যোগদান করেন।  তাহার পিতার আমল থেকে কলেজ গেইট মন্ত্রী পাড়া জনশ্রুতি রয়েছে। রাঙামাটিতে মন্ত্রী পাড়ায় মন্ত্রী পেল পাহাড়বাসী আনন্দিত হলো।#

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...