নিজস্ব প্রতিবেদক,রাঙ্গামাটি।
বিএনপি নব্য নেতা সেজে পুনরায় দখল করা ব্যবসায়ী সংগঠন চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি মোটর মালিক সমিতি দখলদার মুক্ত চায় রাউজানের বিএনপি পন্থী পরিবহনের ত্যাগী নেতারা।
রাঙামাটির বেতবুনিয়ার পরে রাউজান উপজেলা। জনশ্রুতিমতে অনেকের কাছেই এটি ভয়ংকর এক জনপদের নাম রাউজান । দুই যুগ ধরে সেখানে ঘটেছে একের পর এক গা শিউরে ওঠার মতো ভয়ংকর অপরাধ। হাজার হাজার মানুষকে নির্মম অত্যাচার- নিপীড়ন- গুম-খুন- হামলা-মামলা- জমি দখল- ধর্ষণ- সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন,ইট ভাটা দখল যৌন নিপীড়নসহ এমন কোনো ঘৃণ্য কাজ নেই, যা হয়নি এই উপজেলায়। ১৭ বছর ফজলে করিমের এই জুলুমের রাজত্বের অন্যতম সহযোগী রাউজান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য সৈয়দ হোসেন। তিনি বিএনপি’র কিছু নেতার প্রশ্রয়ে বিএনপিতে যোগদান করে বিএনপি পন্থি পরিবহন নেতাদের নির্যাতন করে চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি মোটর মালিক সমিতি দখল করেন(মদের মহল) এদিকে সৈয়দ হোসেন রাঙ্গামাটি মটর মালিক সমিতির অফিস দখল নিতে চেষ্টা করে (অটো মনোনীত) কমিটির ৪ জন আওয়ামীলীগের নেতা।
খোজ নিয়ে জানাগেছে,এসব সৈয়দ হোসেন এর অটো মনোনীত নেতারা রাঙ্গামাটির সমিতির দোকান ভাড়ার টাকা রাউজান নিয়ে ফজলে করিমসহ বিভিন্ন খাতে ৪৬ লক্ষাধিক টাকা খরচের অভিযোগ উঠেছে। চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটির মোটর মালিক সমিতির সৈয়দ হোসেনের ২৮ জন কমিটির সদস্যের সহযোগিতায় রাঙ্সাগামাটির সাধারণ বাস মালিকদের সঞ্চয়কৃত পুজি যখন ইচ্ছা টাকা তুলে ব্যবহার করেছে। সৈয়দ হোসেন এর ঘনিষ্ট সহযোগি নবীদুল আলমকে ২ লক্ষাধিক দিয়েছে,শ্রমিক ইউনিয়নের ইউনুছকে ৩৫ হাজার টাকা,সৈয়দ হোসেন নিজেই ১০ লক্ষ ৫০ হাজার টাকাসহ প্রায় ১৭ লক্ষাধিক টাকা রাঙ্গামাটি অফিসে ব্যয় দেখানো হয় । সম্মানিভাতা দায়িত্ব ভাতা মোবাইল ভাতা অতিরিক্ত ভাতার নামে দেখিয়ে প্রায় ১৮ লক্ষাধিক টাকা, উপহার ও অন্যন্যা বাস ষ্টেশন উন্নয়ন,সাধারণ সভা,দান অনুদান চাদা দেখিয়ে রাঙ্গামাটি অফিসের প্রায় ১৭ লক্ষাধিক টাকা। রাঙ্গামাটির মালিক সমিতির অটো সদস্যর বিশেষ বোনাস ,ফকির তকিয়া মাজারের ওরশ উদযাপনের প্রায় দুইলক্ষ ৫০ হাজার টাকা,রাউজানের ফজল করিমের নিবাচনের নামে ২ লক্ষাধিক টাকা ,ফজল করিমের ইফতার বিতরণ দেখিয়ে ৫ লক্ষাধিক টাকা,ফজল করিম চক্ষু রোগীকে ৫০ হাজার টাকা,ফায়াজ করিম রাউজান আগমন উপলক্ষে প্রায় ৮০ হাজার টাকা,ফায়াজ করিম বিয়েতে এক লক্ষ টাকা,দীপংকর তালুকদার নিবাচনের নামে এক লক্ষ ৬০ হাজার টাকা,শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ইউনুছের মেয়ের বিয়েতে এক লক্ষ টাকা ও ককসবাজার বাস দেওয়ার জন্য ঘুষ ২লক্ষ টাকাসহ মোট প্রায় ২৪ লক্ষাধিক টাকা ব্যয় দেখানো হয়। রাউজান বাস টামিনাল মাটি ভরাট দেখিয়ে রাঙ্গামাটি বাস মালিক অফিস থেকে প্রায় ১৮ লক্ষাধিক ব্যয় দেখানো। রাঙ্গামাটি সমিতির কয়েককোটি টাকার সম্পদ কিন্ত ষড়যন্ত্র ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে সৈয়দ হোসেন রাঙ্গামাটি কোন ব্যাংকে হিসাব নেই । এইভাবে সৈয়দ হোসেনের আশ্রয়ে মনোনীত অটো কমিটির সদস্যরা এসব টাকা রাউজান ও চট্টগ্রাম পাটিয়ে দিয়েছে।
রাউজান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য সৈয়দ হোসেন ফজলে করিমের ক্ষমতা ব্যবহার করে ১৬ বছর চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি মোটর মালিক সমিতি দখল করে আছেন। চাঁদাবাজি- জমি দখলসহ সমিতির প্রায় অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে। সমিতির গঠনতন্ত্রের বাইরে মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজকে উপদেষ্টা করেন। সমিতির সাধারণ মালিকদের টাকা আওয়ামী লীগ নেতাদের লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদা দেয়। গাড়ি থেকে বিভিন্নভাবে চাদা কালেকশন এখনো করে যাচ্ছে। সাধারণ মালিকরা এখনো নিরুপায়। সমিতির অনিয়মের ব্যাপারে -সাধারণ মালিকদের মত প্রকাশ করার জন্য সমন্বয়ক কমিটি ২৫- ৯- ২০২৩ তারিখে সাধারণ সভা আহবান করেন। কিন্তু সৈয়দ হোসেন গং পেশি শক্তি ও গুন্ডাবাহিনী দিয়ে সমিতির প্রধান কার্যালয় ভাঙচুর ও সাধারণ মালিকদের মারধর করে সভা পন্ড করে দেযন। তারপরের দিন সৈয়দ হোসেন গং সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে রাউজান অফিস দখল করে গাড়ি থেকে প্রতিদিন চাঁদা উত্তোলন করে যাচ্ছেন। এ ব্যাপারে সাধারণ মালিকরা কিছু বললে তাদের উপর অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছেন।রাঙ্গামাটি অফিসে চাঁদা ও ভাড়া নিয়ে অঘোষিত অটো কমিটি সৈয়দ হোসেন এর নিকট পৌছে দিতেন ।
বাংলাদেশের প্রতিটি সেক্টর স্বাধীন হচ্ছে কিন্তু রাঙ্গামাটি- চট্টগ্রাম মোটর মালিক সমিতি আজও দখলদার মুক্ত ও এসব টাকার হিসাব নিতে পারিনি। রাঙ্গামাটি- চট্টগ্রাম মোটর মালিক সমিতির প্রশাসনের প্রতি সবিনয় অনুরোধ জানিয়ে বলেন- আমাদের ব্যবসায়িক সংগঠন রাঙ্গামাটি -চট্টগ্রাম মোটর মালিক সমিতিকে জবরদখল থেকে রক্ষা করে স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ জানিয়েছেন ।