রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

পাহাড়ে সকল সহিংসতার মূল কারণ ‘চাঁদাবাজি’ বলে মন্তব্য করেছেন-স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

  • প্রকাশিত: ৩ এপ্রিল ২০২৫, ২:৩৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১ বছর আগে

  নিজস্ব প্রতিনিধি:- পার্বত্যঞ্চলে সকল সহিংসতার মূল কারণ ‘চাঁদাবাজি’ বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো.জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।  ৩ এপ্রিল বৃস্পতিবার রাঙ্গামাটিতে  স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল সহিংসতার মূল কারণ চাঁদাবাজি। এই চাঁদাবাজি বন্ধ করা না গেলে পার্বত্য চট্টগ্রামে সহিংসতা বন্ধ করা যাবে না। কোট স্যুট পড়া লোকেরাই বড় বড় কথা বলে এসব জিইয়ে রাখে।”

রাঙ্গামাটি বিজিবি সেক্টর সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, “কোনো অবস্থাতেই এসব চাঁদাবাজি সন্ত্রাস বরদাশত করা হবে না। কঠোর হাতে এদের দমন করা হবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

এসময় তিনি ভারতের গণমাধ্যমেরও সমালোচনা করে  উপদেষ্টা বলেন,  “ভারতীয়  কিছু মিডিয়া মিথ্যা বলায় চ্যাম্পিয়ন। তাদের কিছু মিডিয়ার কাজই হচ্ছে বাংলাদেশ নিয়ে মিথ্যা প্রচার। বাংলাদেশের মিডিয়ার সত্য প্রচারের মধ্য দিয়ে এর জবাব দিতে হবে।”

এসময় পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার, রাঙ্গামাটি জেলাপ্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ, পুলিশ সুপার ড. এসএম ফরহাদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।সকালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা হেলিকপ্টারে করে রাঙ্গামাটির সাজেক ও বাঘাইহাটে বিজিবির বিভিন্ন ক্যাম্প পরিদর্শন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধির সাথে কথা বলেন ।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়,  ৩ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) ১১টার দিকে বিজিবির হেলিকপ্টারযোগে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও পার্বত্য উপদেষ্টা রাঙ্গামাটির বাঘাইহাট এলাকায় ৫৪ বিজিবির বাঘাইহাট ব্যাটালিয়ান এবং সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোন পরিদর্শন করেন। তখন তিনি পূর্ব পরিচিত স্থানীয় প্রতিনিধিদের সাথে মত বিনিময় করেন এর পর বাঘাইহাট থেকে দুপুর ১টার দিকে ২৭ বিজিবির সাজেক বিওপিতে পৌছান তিনি। সেখানে বিজিবির ক্যানাটিন সীমান্ত শৈলিতে স্থানীয় হেডম্যান (মৌজা প্রধান), কার্বারীর (পাড়া প্রধান) সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তোলে দেন।

সাজেকে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় আগুন নির্বাপনের গুরুত্ব বিবেচনায় সাজেকে অস্থায়ীভাবে আপাতত ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি নিয়োজিত রাখার জন্য ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালককে নির্দেশনা দেন। সফরের সময় সাথে ছিলেন, মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, ওএসপি, বিএসপি, এসইউপি, বিজিবিএম, এনডিসি, পিএসসি, এমফিল, মহাপরিচালক, বিজিবি| ব্রিগেঃ জেনারেল মোঃ সোহরাব হোসেন ভূঁইয়া, পিবিজিএম, এনডিসি, পিএসসি, জি+ অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন ও প্রশিক্ষণ শাখা), সদর দপ্তর বিজিবি ব্রিগেঃ জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল, এনডিসি,এএফডব্লিউসি, পিএসসি মহাপরিচালক, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর ব্রিগেঃ জেনারেল মোঃ ইয়াছির জাহান হোসেন, পিবিজিএম, বিজিওএম, পিএসসিঅতিরিক্ত মহাপরিচালক (ব্যুরো চীফ), পিলখানা, ঢাকা কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম যুগ্ম সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্নেল সোহেল আহমেদ, উপ মহাপরিচালক (পূর্ত) পিবিজিএম, পিএসসি লেঃ কর্নেল মোঃ আতিফ সিদ্দিকী, বিজিওএম, পিএসসি, জি পরিচালক (সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা) লেঃ কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মাশরুকী, বিজিবিএমএস, পিএসসি পিএস টু ডিজি বিজিবি মোহাম্মদ আবু নোমান সরকার, অতিরিক্ত পরিচালক, এনএসআই ক্যাপ্টেন সাকিব হাসান এডিসি টু ডিজি বিজিবি কাজী হাফিজ আমিন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার একান্ত সচিব (সিনিয়র সহকারী সচিব) শামস আরমান সিনিয়র স্টাফ অফিসার, মহাপরিচালক, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর।#

উল্লেখ্য:- স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেঃ জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সেনাবাহিনীতে চাকুরীরত অবস্থায় ১৯৯০ সালের ১৬ নভেম্বর থেকে ১৯৯২ সালের ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত বাঘাইহাটে কর্মরত ছিলেন বউল্লেখ্য:- স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেঃ জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সেনাবাহিনীতে চাকুরীরত অবস্থায় ১৯৯০ সালের ১৬ নভেম্বর থেকে ১৯৯২ সালের ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত বাঘাইহাটে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে#

 

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...