এদিকে বৃহস্পতিবার নয় দিনে চট্টগ্রাম ও দক্ষিন চট্টগ্রামে গ্রেফতার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় হাজারের অধিক। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার বাশখালী থানার বিভিন্ন স্থানে মাঠে ঘাটে থেকে ৩৫/৪০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা অত্যান্ত নীরহ খেটে খাওয়া শ্রমিক। এছাড়া গ্রেফতারকৃত কেউ রাজনীতি সাথে জড়িত নয় ।
জানা গেছে, সর্বশেষ বুধবার নগরীর হালিশহর থানায় একটি মামলা করে পুলিশ। এতে ৩৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১০০-১৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি দেখানো হয়। ওই মামলায় বৃহস্পতিবার চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার বিষয়গুলো নিশ্চিত করেছেন সিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া এ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স) কাজী মো. তারেক আজিজ।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলার ১৭ থানায় মামলা হয়েছে ১১টি। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা পর্যন্ত ৩৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
চট্টগ্রামে কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে চলমান আন্দোলনে ১৬ জুলাই থেকে সহিংস রূপ ধারণ করে। এদিনই পুলিশ এবং যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে প্রাণ হারায় তিন জন। ১৮ জুলাই বহদ্দারহাট মোড়ে আবারও সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় দু’জন। এরপর আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র মারা যায় হাসপাতালে। কোটা আন্দোলনে চট্টগ্রামে সব মিলিয়ে ছয়জন মারা যায়।
কোটা আন্দোলনে সারা দেশে প্রাণ গেছে ২০৩ জনের। তবে মৃতের সংখ্যার কোনো সরকারি হিসাব পাওয়া যায়নি। হাসপাতাল, নিহতদের স্বজন ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদের মাধ্যমে নিহতের সংখ্যা নিরূপণ করা গেছে।