শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

রাঙামাটি জেলা পরিষদ পুন:গঠন সদস্যদের বাতিলের জন্য ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম

  • প্রকাশিত: ১৩ নভেম্বর ২০২৪, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ১ বছর আগে

নিজস্ব প্রতিনিধি : রাঙামাটি জেলা পরিষদ পুন:গঠন সদস্যদের বাতিলের জন্য ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম শেষ প্রায়, নতুন কর্মসূচি ঘোষনার অপেক্ষায় সাংবাদিকরা। নবগঠিত রাঙামাটি জেলা পরিষদের মনোনীত সদস্যদের নিয়োগ বাতিল এবং কাউখালী, বরকল, জুরাছড়ি ও রাজস্থলী উপজেলার প্রতিনিধি করার দাবি জানিয়েছেন ওই চার উপজেলার বাসিন্দারা।

গত মঙ্গলবার  রাঙামাটি শহরে কোট বিল্ডিং কসমস রেস্তোরাঁয় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়। জেলা পরিষদ পুনর্গঠন করে নতুনভাবে প্রজ্ঞাপন জারির জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। এই কারনে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সরকার  কোন পদক্ষেপ না নিলে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, গত ৭ নভেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে রাঙামাটির ১০টি উপজেলার মধ্যে শুধু ৬টি উপজেলা থেকে ১৫ জন প্রতিনিধিদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কাউখালী, বরকল, জুরাছড়ি ও রাজস্থলী উপজেলার কোনো প্রতিনিধি না রেখে এলাকাবাসীর সঙ্গে বৈষম্য করা হয়েছে। জেলা পরিষদে যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তাদের বেশির ভাগ সদস্য জনবিচ্ছিন্ন এবং গত সরকারের সুবিধাভোগী বলেও দাবি করা হয়। এমনকি একই পরিবারের একাধিক সদস্য এবং হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি নানিয়ার চর উপজেলা বুড়িঘাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান প্রণতি রঞ্জন খীসাও আছেন।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রাজস্থলী উপজেলাবাসীর পক্ষে অ্যাডভোকেট দীননাথ তঞ্চঙ্গ্যা, সত্যবিকাশ তঞ্চঙ্গ্যা, উথান মারমা, কাউখালী উপজেলাবাসীর পক্ষে মো. জসিম উদ্দিন, ল‌লিত চন্দ্র চাকমা, মো. তারা মিয়া, বরকল উপজেলাবাসীর পক্ষে এমদাদ হোসেন ও পুলিন বিহারী চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদা‌য়ের প্রতি‌নি‌ধি রণজিৎ তঞ্চঙ্গ্যা।

এক প্রশ্নের জবাবে এ্যাড রাজীব চাকমা বলেছেন, এ ধরনের বিতর্কিত ও ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসরদের দিয়ে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন পুনর্গঠিত পরিষদকে জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে। এই জেলার প্রতিটি উপজেলা থেকে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের পুনর্গঠনের জোর দাবি জানান। এই সংবাদ সম্মেলনে নিয়োগের জন্য পার্বত্য উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমাকে দায়ী করা করা হয়েছে। রাঙামাটি জেলা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট রাজিব চাকমা বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা রাঙামাটি সদর উপজেলা থেকে ৯ জন সদসকে রেওয়াজ বহির্ভূতভাবে নিয়োগ দিয়ে স্বজনপ্রীতি ও ফ্যাসিস্ট মানসিকতাকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির মাধ্যমে এলাকাবাসীর অর্জিত আইনগত অধিকার কেড়ে নিয়েছেন।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...